1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ভারতের আতঙ্কে মুসলিম বৃদ্ধের মৃত্যু

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ‘এসআইআর আতঙ্কে’ আরও এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা উদ্বেগ ও দুঃখের জন্ম দিয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার বিবরণ জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরে এই ঘটনা ঘটে। ৬০ বছরের বৃদ্ধ সুলতান সর্দার এই ঘটনায় শোচনীয় মৃত্যুর শিকার হন। তিনি ভোটার তালিকায় নাম না থাকলেও, সম্প্রতি স্বরূপনগর নির্বাচন অফিসের নির্দেশে তাকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। শুনানির জন্য যাওয়ার চার দিন পর, শান্তিপূর্ণ জীবনটি হঠাৎই বিপর্যস্ত হয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, সুলতান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরিবার জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরে তিনি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন, তবে তার পরিচয়পত্র ও অন্যান্য নথিতে কিছু সমস্যা থাকায় তিনি পরিচিত ছিলেন না। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তার নাম ছিল না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যের নাম ছিল। কয়েক দিন আগে, ২৭ ডিসেম্বর, সুলতান স্বরূপনগর নির্বাচন অফিসে শুনানির জন্য গিয়েছিলেন। সেখানে বলা হয়েছিল, তার নথিপত্রে গরমিল রয়েছে। এই খবর শুনে তিনি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং মানসিক চাপ বাড়তে থাকায় তার শরীর দুর্বল হয়ে যায়। দেলোয়ারা বিবি, তাঁর স্ত্রী, জানিয়েছেন, স্বামী ২০০২ সালে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে অন্য রাজ্যে গিয়েছিলেন। সেই সময় তার পিতামাতা ও তার নাম ছিল ভোটার তালিকায়, কিন্তু নিজের নামটি ছিল না। শুনানির একদিন পরে, মানসিক চাপ এবং আতঙ্কে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার ছেলে ওসমান বলেন, ‘এসআইআর আতঙ্কে আমার বাবার মৃত্যু হয়েছে। এই ব্যবস্থাটিকে অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। না হলে আমাদের বাঁচার উপায় থাকছে না।’ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সব মহলের নজরড় হয়েছে, সাধারণ মানুষ ও পরিবারজনের মধ্যে গভীর চঞ্চলতা তৈরি হয়েছে। তারা এই আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠার জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo