1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

হাদি হত্যা: হামলাকারীর ২ সহযোগী ভারতের মেঘালয়ে গ্রেফতার

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ভারতের মেঘালয় পুলিশের মাধ্যমে হাদি হত্যা মামলার দুই সন্দেহভাজন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই খবর রোববার (২৮ ডিসেম্বর) একটি বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়, যেখানে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যায় জড়িত মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর শেখকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সহযোগিতা করেছিলেন বলে অভিযোগ, এবং তাদের ভারতের মেঘালয়ের পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এই দুইজনের নাম হলো পুর্তি ও সামী।

২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকার বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেলে আসা দু’জন সন্ত্রাসীর গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। গুলিবর্ষণের ফলে তার মাথায় গুলি লাগে। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে initially ভর্তি করা হয়, তবে অবস্থার অবনতি দেখে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানেই ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু ঘটে।

এ ঘটনায় পল্টন থানায় একটি মামলা দায়ের হয়, যার প্রধান আসামি হিসেবে শ্যুটার ফয়সালকে গ্রেফতার করা হয়। তবে মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার সহযোগীদের এখনো ধরতে পারেনি পুলিশ। অনুমান করা হচ্ছে, তারা ভারতে পালিয়ে গেছে। অবশেষে আজ গোপন তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেফতার করে মেঘালয় পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জানান, হাদির হত্যাকাণ্ড পরিকল্পনা অনুযায়ী ছিল। ঘটনার পর ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকা থেকে সিএনজিতে করে বেড়াতে বের হয়। এরপর তারা আমিনবাজার, কালামপুর এবং ময়মনসিংহ সীমান্তের দিকে যান। সেখানে ফিলিপ স্নাল ও সঞ্জয় নামের ব্যক্তির মাধ্যমে তাদের ভারতের মেঘালয়ে আনা হয়।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, ভারতে পৌঁছানোর পর ফিলিপ এই দুজনকে তুরা নামে এক স্থানে পৌঁছে দেন, যেখানে তাদের হাতে তুলে দেন ভারতের নাগরিক পুর্তি। পরে সামী নামে আরও একজনের গাড়িতে করে তারা পালিয়ে যায়। এই সম্পত্তি ও মাধ্যমে তারা অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দেয়।

এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ছ’জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে, এবং আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ পিছনে যারা রয়েছেন, তাদের নাম-ঠিকানা উন্মোচনের জন্য কাজ চলমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে তিনি বলেন, এটি একটি রহস্যজনক হত্যাকাণ্ড, যার পেছনে বহু লোক জড়িত থাকতে পারে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং শিগগিরই মূল হত্যাকাণ্ডের মূল দায়িদের পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo