1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ড্রাম ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ে শতাধিক, ৩ শিশু নিহত, ২ নিখোঁজ আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামালপুরে ভাঙা ড্রাম ব্রিজে পড়ে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়

সাতক্ষীরা Policía ব্রহ্মরাজপুর ফাঁড়িতে হামলা, ট্রলি চালক ছিনতাই, দুই পুলিশ আহত

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

সাতক্ষীরায় পুলিশ ফাঁড়িতে এক গুরুতর হামলার ঘটনা ঘটেছে বুধবার সকালে। স্থানীয় গ্রামবাসীরা বেতনা নদীর খননকৃত মাটি লুটের জন্য অভিযুক্ত ট্রলি চালক কিসমত আলীকে ছিনিয়ে নেয়ার সময় পুলিশের ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন, তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় সদর হাসপাতালে। আহতরা হলেন, ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারি উপ-পরিদর্শক মাহাবুর রহমান ও কনস্টেবল মেহেদী হাসান।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কেসমত আলীসহ একের পর এক চক্র বেতনা নদীর খননকৃত মাটি অবৈধভাবে লুট করে আসছিল। এই চক্রের প্রধান ছিলো ধুলিহর সানাপাড়ার মৃত ইমান আলীর ছেলে কেসমত আলী, যিনি ট্রলি চালাতেন।최근ের খবর অনুযায়ী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে সাতক্ষীরা শহরের একটি ঠিকাদার নেহালপুরের বেতনা নদীর খননকৃত মাটি কিনেছেন বলে উপজেলা প্রশাসন নিশ্চিত করেছে। এর আগে, দপ্তর থেকে সতর্কতা জারি করে যেন কেউ লুটপাটের অপচেষ্টা না করে, বলে নির্দেশ দেয়া হয়। তবে, बुधवार ভোরে কেসমত আলী নেতৃত্বে ৭ থেকে ৮ জনের একটি দল নদীর খননকৃত স্তূপের মাটি কাটতে শুরু করে ট্রলিতে ভরে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছিল। এই খবর পান পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে মাটি কাটাকারীদের বাধা দেয়। বাধা দিতে গিয়েও কেসমত ও তার সহযোগীরা ধস্তাধস্তির সূচনা করে। এরপর, সকাল ১০টার দিকে, কেসমতকে আটকের সময় তার ভাই রহমত, স্ত্রী শাহানারা ও ছোট ভাই বাবুরালীসহ প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জনের গ্রুপ ফাঁড়ির গেট ভেঙে প্রবেশ করে তাকে ছাড়িয়ে নেয়।

ফাঁড়িতে আটক অবস্থায় মারপিটের শিকার হয় কেসমত। এই পরিস্থিতি শুনে তার পরিবারের সদস্যরা এসে হামলার ঘটনা ঘটায়। সহকারী উপ-পরিদর্শক মাহাবুর রহমান ও কনস্টেবেল মেহেদী হাসান তাদের বাধা দিলে, হামলাকারীরা তাদের পিটিয়ে জখম করে। গ্রামবাসীরা অভিযোগ করে, এই লুটপাটের পেছনে কেসমতের ভূমিকা রয়েছে এবং পিছন দিক থেকে বেশ কিছু শক্তিশালী ব্যক্তি এইসব হামলার মদদ দিয়েছে।

কেসমত হোসেন নিজে দাবি করেন, সত্যি তিনি মঙ্গলবার সকাল থেকে নদীর মাটি কাটছিলেন। তবে, তাকে ধরে আনার পর আরও বলেন, আর কখনো এই কাজ করবেন না। কিন্তু পুলিশ তার বিরুদ্ধে গড়িমসি না করে মারপিটের অভিযোগ তোলে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মোঃ মাসুদুর রহমান জানান, এই ঘটনায় কেসমতসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০-৩০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত পরিচয় বহু ব্যক্তির নামও রয়েছে, এবং আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo