1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

দেশ-বিদেশে ৬৬১৪৬ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিদেশে পাচার করা অর্থ উদ্ধার ও সম্পদ সংযুক্ত করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেশে ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অবরুদ্ধ ও সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া, বিদেশে ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকা মূল্যের সম্পদসহ মোট ৬৬ হাজার ১৪৬ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও সংযুক্ত করা হয়। এই তথ্য জানানো হয়েছে বুধবার জাতীয় সমন্বয় কমিটির সভার পরে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে। সভার মূল লক্ষ্য ছিল মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বিভিন্ন নীতি ও কার্যক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। এ সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বিদ্যমান মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর কিছু ধারা আধুনিক করার জন্য সংশোধন আনবেন সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এছাড়া, বিদেশে পাচার করা অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ কেসের ওপর নজর রাখা হয়। এই কেসগুলোতে এখন পর্যন্ত ১০৪টি মামলা দায়ের ও ১৪টি মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। আদালত এ যাবত ৪টি মামলার রায় দিয়েছেন। উল্লেখ্য, দেশে মোট ৫৫ হাজার ৬৩৮ কোটি টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ ও বাইরেও ১০ হাজার ৫০৮ কোটি টাকার সম্পদ সংযুক্ত ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া, অগ্রাধিকার ১১ কেসের বিরুদ্ধে ২১টি মল্টাইল অর্ডার (এমএলএআর) সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়েছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, দ্রুত চার্জশিট দাখিল, এমএলএআর পাঠানো ও মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য কার্যকর ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার। এগুলো মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এশিয়া প্যাসিফিক গ্র“প অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) দ্বারা ২০২৭-২৮ মেয়াদে বাংলাদেশের উপর মিউচুয়াল ইভ্যালুয়েশন কার্যক্রম চালানো হবে। সকল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থা এই ইভ্যালুয়েশন সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ সচিব, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা, বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, আইন, ফাইন্যান্স এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo