1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বিজয় দিবসে মোদির পোষ্টে বাংলাদেশের নাম লেখা হয়নি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাসের লড়াইয়ের মাধ্যমে। এই যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ভারতের সেনাবাহিনীও যোগ দেয়, যার ফলে ১৬ ডিসেম্বর ভারতের জন্যও একটি বিজয় দিবস হিসেবে রূপ নেয়। তবে মূল বিজয় ছিল বাংলাদেশের, কারণ এ দিনেই বাংলাদেশের জনগণ তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা লাভ করে।

আজ ১৬ ডিসেম্বর, বাংলাদেশের বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয় দিবসের কথা উল্লেখ করেছেন, তবে তিনি এটি যেন শুধুমাত্র ভারতের বিজয়ের দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। তার পোস্টে একবারও বাংলাদেশের নাম আসে না। মোদি লিখেছেন, “বিজয় দিবসে আমরা আমাদের সাহসী সেনাদের স্মরণ করছি, যারা ১৯৭১ সালে তাদের সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে ভারতের ঐতিহাসিক জয় নিশ্চিত করেছিলেন। তাদের দৃঢ় মনোবল ও নিস্বার্থ সেবা আমাদের দেশের রক্ষা করেছে এবং আমাদের ইতিহাসে গর্বের মুহূর্ত সৃষ্টি করেছে। এই দিনটি তাদের সাহসকে সম্মান জানায় এবং তাদের অসাধারণ মনোবলকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এই বীরোচিত কর্মকাণ্ড ভারতীয় প্রজন্মের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকে।”

এর আগে ভারতের সেনাবাহিনীও বিজয় দিবসের পক্ষে একটি পোস্ট দেন, যেখানে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, “বিজয় দিবস শুধু একটি তারিখ নয়— এটি ১৯৭১ সালের যুদ্ধের ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহাসিক ও চূড়ান্ত বিজয়ের প্রতীক।”

সেনারা আরও বলেন, “এটি ছিল সেই বিজয় যেখানে মুক্তিযোদ্ধারা ও ভারতীয় সেনারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। এই বিজয় শুধু সামরিকই নয়, এটি ইতিহাসের ঐতিহাসিক গৌরবের একটি অংশ। ভারতের এই জয় বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনায় জাতিকে নতুন করে স্ববিরোধী করে তুলেছে এবং দক্ষিণ এশিয়ার মানচিত্রে নতুন এক সূচনাকে চিহ্নিত করেছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী আরও উল্লেখ করে, “পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে নানা নৃশংসতা, অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতা চালিয়েছিল, এই যুদ্ধ সেই সমস্ত অবসান ঘটিয়েছে।”

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo