1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

আবার ৮ মাত্রার বেশি ভূমিকম্পের আশঙ্কা প্রকাশ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভূমিকম্পের আতঙ্ক এখন পুরো বাংলাদেশে। গত ২১ নভেম্বর ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পের পরে নাটকীয়ভাবে উত্তরোত্তর আফটার শক অনুভূত হয়েছে। মহানগর ঢাকাসহ পুরো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর প্রভাব পড়ছে। বৃহস্পতিবার ভোর ৬:১৫ মিনিটে দেশ জুড়ে ৪.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, পাশাপাশি চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জিনজিয়াং অঞ্চলে ৬.০ মাত্রার এক শক্তিশালী কম্পন দেখা যায়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশে ঘটমান ভূমিকম্পের প্রকৃতি পরিবর্তন হচ্ছে বলে সতর্কতা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। ঢাকা ও তার আশপাশে বেশ কয়েকটি ভূকম্পন ঘটছে, যার কিছু নরসিংদীর মাধবদী থেকে সূত্রপাত হলেও পরবর্তীতে ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোর ওপরও বেশ প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, ২০২৫ সাল পর্যন্ত দেশটিতে মোট ৭৬টি ভূমিকম্প ঘটেছে। আন্তর্জাতিক মহল এই সময়ের ভূমিকম্পের ঘটনাকে ইন্ট্রাপ্লেট ইভেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করছে।

প্রাক্তন বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কর্মকর্তা এ কে এম শাকিল নেওয়াজ বলেছেন, ভূপৃষ্ঠের মূল শকের প্রভাব রিখটার স্কেলে ৭.৮ বা তার বেশি হতে পারে, এরপর আসবে আফটার শক। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের জন্য ব্যাপক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।

জিপিএস পরিমাপ বলছে, দেশের ফল্ট এলাকাগুলো প্রতি বছর কিছু মিলিমিটার সরছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ভূমিকম্পের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে সিলেট, ময়মনসিংহ, সুনামগঞ্জের দৌকি ফল্ট, ঢাকা ও টাঙ্গাইলের মধুপুর ফল্ট এবং চট্টগ্রাম-মিয়ানমার উপকূলীয় অঞ্চলে ঝুঁকি বেশি।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, পর্যবেক্ষণ যথাযথ না হলে বা জনসচেতনতা তৈরি না হলে, বড় ধরনের ভূমিকম্প থেকে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবহন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বিদ্যুৎ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।

গত ২১ নভেম্বর সকাল ১০:৩৮ মিনিটে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে দেশের বেশ কিছু এলাকা। এর কেন্দ্র ছিল নরসিংদীর মাধবদী। এতে বেশ কিছু ভবনে ফাটল ধরতে দেখা যায় এবং কমপক্ষে ১১ জনের প্রাণহানি ঘটে। এতে আহত হন তিন শতাধিকের বেশি মানুষ।

এর পরের দিন, ২২ নভেম্বর পলাশ ও মাধবদীতে ৩.৩ এবং ২৭ নভেম্বর পলাশের ঘোড়শালে ৩.৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তখনই সিলেট ও কক্সবাজারের টেকনাফে দুই দফা ভূকম্পনের ঘটনা ঘটে।

অবশেষে, ১ ডিসেম্বর সোমবার রাত ১২:৫৫ মিনিটে ঢাকাসহ সিলেট, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে নতুন করে ভূমিকম্প অনুভব করা হয়। সেই রাতে অনেকেই টের পান। এ ছাড়া, বঙ্গোপসাগরে নিয়মিত স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্পের ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo