1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহারে আহত রাফি মারা গেলেন মালয়েশিয়া সফর শেষ করে চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুজব ঠেকাতে পিআইডির ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটপ্রহর; সাজিদ চৌধুরী রাফি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

সেনা কর্মকর্তাদের সশরীর হাজিরা বাধ্যতামূলক ধারা প্রত্যাখ্যান

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫

আওয়ামী লীগ সরকারের টানা একদশক ক্ষমতায় থাকা সময়ে গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তাকে আজ শুক্রবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের সশরীর উপস্থিতির বদলে ভার্চুয়ালি শুনানি করার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। এর ফলে আগামী শুনানির দিন থেকে সেনা কর্মকর্তাাদের ট্রাইব্যুনালে সরাসরি উপস্থিত থাকতে হবে৷

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ দেন। অন্য দুই সদস্য হচ্ছেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

আদেশের সময় আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তোবারক হোসেন এবং প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। দুই পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এই আবেদনটি খারিজ করে দেন। উল্লেখ্য, ২৩ নভেম্বর এ আবেদনটি করা হয়েছিল এবং সেই অনুযায়ী আজকের শুনানির দিন ধার্য হয়।

ট্রাইব্যুনাল আরো জানায়, বিভিন্ন মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি কারাগারে থাকলেও তিনি সশরীরে হাজির হচ্ছেন এবং বেশীরভাগ সাবেক মন্ত্রীও নিয়মিত আদালতে উপস্থিত থাকছেন। এটা প্রমাণ করে, দেশের আইনি প্রতিষ্ঠানগুলো সকলের জন্য সমান এবং সব পক্ষকেই যাতে সুবিচার পায়, সেটাই সরকার কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করছে।

এই মামলায় গ্রেপ্তার ১০ সেনা কর্মকর্তা হলো— র‍্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম, কর্নেল কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরপ্রাপ্ত), র‍্যাবের সাবেক ডিরেক্টর কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম।

অপরদিকে, পলাতক থাকছেন— সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক ডিজি এম খুরশিদ হোসেন, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. খায়রুল ইসলাম।

প্রসঙ্গত, গত ২২ অক্টোবর এই মামলার ১০ কর্মকর্তা সেনা হেফাজতে থাকা অবস্থায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করেছিলেন, যেখানে শুনানি শেষে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। পরবর্তীতে পলাতকদের জন্য সাত দিনের মধ্যে দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে তারা হাজির না হওয়ায় তাদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ করেন আদালত। এ মামলায় ৮ অক্টোবর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হয়, তারপর থেকেই তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo