1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট: দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাওয়ার ঝুঁকিতে বাংলাদেশের ৬ কোটি মানুষ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় একতৃতীয়াংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ, দারিদ্র্যসীমার নিচে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এই তথ্য প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংকের নতুন একটি প্রতিবেদনে, যা বুধবার প্রকাশিত হয়। তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাস মহামারি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অসুস্থতা বা কোনো অপ্রত্যাশিত বিপর্যয় হলে এই মানুষগুলো আবারও দারিদ্র্যক্লিষ্ট জীবনযাত্রায় ফিরতে পারে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। সেই সময়ে দুই কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে উত্ত freedewassaqf০ত বর ndপইৃ0Ltেক ে? রבסაბিরেরো: ৯০ লাখ মানুষ অতি দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছে। তাদের জীবনমানের উন্নতি হয়েছে, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, পয়ঃনিষ্কাশনসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলি সহজে পাওয়া গেছে। তবে, ২০১৬ সাল থেকে দারিদ্র্য কমার গতি ধীর হয়ে এসেছে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধি যথাযথভাবে সমতাসম্পন্ন হয়নি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য ১২.২ শতাংশ থেকে কমে ৫.৬ শতাংশে পৌঁছেছে, এবং মাঝারি দারিদ্র্য ৩৭.১ শতাংশ থেকে কমে ১৮.৭ শতাংশে নেমেছে। তবে, ২০১৬ সাল থেকে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে, যার ফলে ধনী ও দরিদ্রদের আয় বৈষম্য বেড়ে গেছে। গ্রামীণ এলাকাগুলো দারিদ্র্য হ্রাসে বেশ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা দেখিয়েছে, তবে শহরগুলোতে দারিদ্র্য কমানোর হার খুবই ধীর। ২০২২ সালের মধ্যে শহরে বসবাসকারী নাগরিকের প্রায় এক চতুর্থাংশ বাংলাদেশের জনসংখ্যা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী দারিদ্র্য হ্রাসে অনেকটাই সফলতা এসেছে। তবে, বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির গতি কমে যাওয়ায় শ্রম বাজারের পরিস্থিতি মনোভাবাপন্ন হয়েছে। বিশেষ করে যুবক, নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠীর জন্য কাজের সুযোগ কমে এসেছে। দেশের দরিদ্র ও ঝুঁকিপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করাই গুরুত্বপূর্ণ সমাধান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য দরিদ্রবান্ধব জলবায়ু সহনশীল নীতি গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞেরা। উৎপাদনশীল খাতে কর্মসংস্থান বাড়ানো, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য আরও কাজের সুযোগ সৃষ্টি, আধুনিক শিল্পে বিনিয়োগ ও ব্যবসায় সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা, এগুলো হলো মূল কৌশল। এছাড়া, শক্তিশালী রাজস্ব নীতি ও কার্যকরী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলা সম্ভব বলে উল্লেখ করেন তারা।

বিশ্বব্যাংকের অর্থনৈতিক বিশ্লেষক সার্জিও অলিভিয়েরি বলেন, বাংলাদেশ প্রাকৃতিক বৈষম্য কমিয়েছে, বিশেষ করে পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। তবে জলবায়ু পরিবর্তন শহর ও গ্রামাঞ্চলের মধ্যে বৈষম্য বাড়িয়ে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবনী নীতি, যোগাযোগ ও বৈচিত্র্যপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষিতে দরিদ্রবান্ধব মূল্য-শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য হ্রাসের গতি নতুন করে ত্বরান্বিত হতে পারে। ফলে, সবাই সমৃদ্ধির অংশীদার হিসেবে এগিয়ে আসতে পারবেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo