1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল: রায়ে বিচারকের পর্যবেক্ষণ

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫

রাজধানীর পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে অসৎ উদ্দেশ্যে জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুদকের তিনটি মামলায় দীর্ঘ ২১ বছরের কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকাল ১১টা ২৩ মিনিটে ঢাকার বিশেষ জজ-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

বিচারক রায়ের পর্যবেক্ষণে জানান, শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ ছিল। তিনি যদি বরাদ্দ না চান, তাহলে সহজেই কাগজপত্র ছুড়ে ফেলতে পারতেন বা প্লট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে তিনি বরাদ্দের জন্য রাজউক, গৃহায়ন মন্ত্রণালয় এবং নিজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের আশ্রয় নেন। এর মাধ্যমে তিনি প্রতারণা করেছেন বলে উল্লেখ করেন বিচারক।

উল্লেখ্য, চার বার ক্ষমতায় থাকলেও কেন শেখ হাসিনার সম্পদ ও টাকাপয়সা এমনভাবে বাড়ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারক আরও বলেন, যদি তিনি কোটা ব্যবস্থার অপব্যবহার না করতেন, তাহলে দেশের সাধারণ নাগরিকেরা পর্যাপ্ত প্লট পেত. সরকারি এই অধিকার তিনি অপব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থের জন্য ব্যবহার করেছেন।

বিচারপতিদের নথিতে আরও জানা যায়, দুদকের মামলায় শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য আসামিরা অনুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পেয়েছেন।

এর আগে ২৩ নভেম্বর যুক্তিতর্কশেষে রায়ের দিন ধার্য করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন প্রত্যাশা করলেও, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না কারণ তারা পলাতক। মামলার তিনটি করে আসামি তালিকায় শেখ হাসিনাসহ মোট ১২, ১৭ ও ১৮ জন করে আছেন।

গত জানুয়ারিতে দুর্নীতির অভিযোগে দুদক পৃথকভাবে ছয়টি মামলা দায়ের করে। তদন্ত শেষে ৩১ জুলাই এই মামলাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। অভিযোগনামায় জানা যায়, সরকারে থাকা অবস্থায় শেখ হাসিনা ও তার পরিবার ক্ষমতার অপব্যবহার করে, অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারি সম্পদ বরাদ্দ নিয়েছেন। তারা গরীব বলে পরিচয় দিয়ে পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তার সঙ্গে যুক্ত ছয়টি প্লট নিজের পরিবারের নামে বরাদ্দ করেন।

জয় ও পুতুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, জয় নিজের নামে থাকা আবাসিক সুবিধা গোপন করে আইন লঙ্ঘন করে পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ নেন, পরে তা রেজিস্ট্রি করেন এবং সরকারি জমি আত্মসাৎ করেন। পুতুলও অবৈধভাবে মাকে প্রভাবিত করে প্লট বরাদ্দ পান। এছাড়া, শেখ হাসিনার একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে আঁতাত করে দলিল গায়েব করেন বা নথি নষ্ট করেন।

উল্লেখ্য, শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। এর আগে, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা বেগম খালেদা জিয়ার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাজা হয়েছিল, তবে তিনি অবশেষে খালাস পান। হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদও দুর্নীতির জন্য বিভিন্ন মেয়াদে সাজা পান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo