1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

শাওনকে ‘রাজাকার’ বলে অপপ্রচার করে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জুলাই মাসে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে ফের দুটি বুলডোজার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকের মাধ্যমে এই দুটি বুলডোজার সেখানে নিয়ে আসা হয়। সেই সময় ট্রাকের ওপরে হাতে মাইক নিয়ে বেশ কয়েকজন তরুণকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। তারা জানিয়েছে, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী শাওন একটি মন্তব্য করে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বুলডোজারগুলোকে রাজাকার আখ্যা দিয়ে তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “মনের ভয়-ই আসল ভয় বুঝেছিস গাধার দল! বারবার ভেঙে, বারেবারে আগুন দিয়েও তোদের ভয় যায়নি। এই ভাঙা বাড়ির প্রতিটা ধূলিকণা যেন বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে মিশে থাকছে, সেটাকে কিভাবে অস্বীকার করব বলো, রাজাকার বাহিনী!” শাওন তার এই পোস্টে #তুইথরাজাকার ও #ধানমন্ডিট৩২ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেছেন।

এখানে উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ থেকে নির্বাসনে যাওয়ার সময় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার ছয় মাস পরে ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঐ বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয়।

প্রতিবেদনে জানা যায়, ওই দিন সন্ধ্যার দিকে হাজারো মানুষ নিহতের বাড়িটির সামনে জড়ো হয়। রাতের বেলা একটি ক্রেন এসে সেখানে পৌঁছায়। মানুষের উল্লাসধ্বনির মধ্যে ক্রেনের উপর দিয়ে ঢুকে, পরে একটি এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তিন তলা বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়। এরপর রাত সোয়া একটার দিকে ভাঙার কাজ বন্ধ রাখা হয় এবং পরে আরও একটি এক্সক্যাভেটর যোগ দেয়।

মধ্যরাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা যখন সেখানে যান, তখন কিছুক্ষণের জন্য ছাত্র-জনতা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়। কিছু ক্ষণের মধ্যে তারা সেখান থেকে সরে যায়। গভীর রাতে দলবল গান চালিয়ে এবং নৃত্য করে বাড়ি ভাঙার কাজ সম্পন্ন করে। তবে ওই ভাঙা বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়, যাতে কোনও অনাহোঁয়া ঘটনা না ঘটে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo