1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ড্রাম ব্রিজ ভেঙে নদীতে পড়ে শতাধিক, ৩ শিশু নিহত, ২ নিখোঁজ আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামালপুরে ভাঙা ড্রাম ব্রিজে পড়ে শতাধিক মানুষ, ৩ শিশু নিহত প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায়

শাওনকে ‘রাজাকার’ বলে অপপ্রচার করে বুলডোজার নিয়ে যাওয়ার ঘটনা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জুলাই মাসে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণার দিন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে ফের দুটি বুলডোজার নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে ট্রাকের মাধ্যমে এই দুটি বুলডোজার সেখানে নিয়ে আসা হয়। সেই সময় ট্রাকের ওপরে হাতে মাইক নিয়ে বেশ কয়েকজন তরুণকে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। তারা জানিয়েছে, ‘রেড জুলাই’ নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই বুলডোজার দুটি আনা হয়েছে।

অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী শাওন একটি মন্তব্য করে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বুলডোজারগুলোকে রাজাকার আখ্যা দিয়ে তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “মনের ভয়-ই আসল ভয় বুঝেছিস গাধার দল! বারবার ভেঙে, বারেবারে আগুন দিয়েও তোদের ভয় যায়নি। এই ভাঙা বাড়ির প্রতিটা ধূলিকণা যেন বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে মিশে থাকছে, সেটাকে কিভাবে অস্বীকার করব বলো, রাজাকার বাহিনী!” শাওন তার এই পোস্টে #তুইথরাজাকার ও #ধানমন্ডিট৩২ হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেছেন।

এখানে উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ থেকে নির্বাসনে যাওয়ার সময় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তার ছয় মাস পরে ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ‘বুলডোজার মিছিল’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঐ বাড়িটি ভেঙে ফেলা হয়।

প্রতিবেদনে জানা যায়, ওই দিন সন্ধ্যার দিকে হাজারো মানুষ নিহতের বাড়িটির সামনে জড়ো হয়। রাতের বেলা একটি ক্রেন এসে সেখানে পৌঁছায়। মানুষের উল্লাসধ্বনির মধ্যে ক্রেনের উপর দিয়ে ঢুকে, পরে একটি এক্সক্যাভেটর দিয়ে বাড়িটি ভাঙার কাজ শুরু হয়। ঘণ্টাখানেকের মধ্যে তিন তলা বাড়ির একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়। এরপর রাত সোয়া একটার দিকে ভাঙার কাজ বন্ধ রাখা হয় এবং পরে আরও একটি এক্সক্যাভেটর যোগ দেয়।

মধ্যরাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা যখন সেখানে যান, তখন কিছুক্ষণের জন্য ছাত্র-জনতা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেয়। কিছু ক্ষণের মধ্যে তারা সেখান থেকে সরে যায়। গভীর রাতে দলবল গান চালিয়ে এবং নৃত্য করে বাড়ি ভাঙার কাজ সম্পন্ন করে। তবে ওই ভাঙা বাড়ির চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার রাখা হয়, যাতে কোনও অনাহোঁয়া ঘটনা না ঘটে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo