1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দুদকে তলব: বাসসের সাবেক এমডি মাহবুব মোর্শেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা সুরঞ্জিতকে হত্যাচেষ্টা মামলায় আরিফুল, বাবর ও জি কে গউছসহ ৯ জন বেকসুর খালাস মেহেরপুর সীমান্তে বিএসএফের ৭ জন পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটক ভিসা পুনরায় চালু জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সুখবর আসতে পারে: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আগামী পাঁচ দিনে কোথায় কতটা বর্ষণ, জানালো আবহাওয়া অধিদফতর আগামী ৫ দিনে বৃষ্টি কেমন হবে, জানালো আবহাওয়া অধিদফতর তারেক রহমানের বেইজিং সফর: ঢাকা–বেইজিং সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় যাওয়ার আশায় সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্রগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জুলাই আন্দোলন সংক্রান্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় কণ্ঠশিল্পী মমতাজকে ফের গ্রেপ্তার দেখানো হলো

জামায়াতের দাবি: ভোটকেন্দ্রে অন্তত পাঁচজন সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অন্তত পাঁচজন সেনা সদস্য মোতায়েনের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির পক্ষ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনের আলোচনা সভায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সংলাপে দলের সহ–সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই দাবি জানান।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গত এক মাসের মধ্যে অনেক নতুন ডিসি বদলি করা হয়েছে, অনেকের বদলি হঠাৎ করে চোখে পড়ে। তিনি মনে করেন, এর পেছনে একটি স্বয়ংক্রিয় বা পরিকল্পিত ডিজাইন কাজ করছে, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

এছাড়া, জামায়াতের পক্ষ থেকে বাস্তুসংস্থান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা বদলির ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে ট্রান্সফার চালুর পক্ষে মত প্রকাশ করা হয়। দলটির মনে হয়, লটারির মাধ্যমে বদলি করলে, কেউ যা চাইবেন, তাকে সে স্থান পাওয়ার সুযোগ থাকবে এবং একযোগে বদলি নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠবে না।

প্রস্তাবের পক্ষে আরও এগিয়ে এসে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, নির্বাচন কমিশনকে সাহসী ও স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

অপর দিকে, দলীয় প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘন ও শাস্তি নিয়ে দলের প্রতিনিধি ব্যারিস্টার শিশির মনির অভিযোগ করেন, আচারবিধি লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি প্রদানের প্রক্রিয়া স্পষ্ট নয়। তিনি বলেন, একই অপরাধে প্রার্থী ও দলের জন্য শাস্তি নিশ্চিত করতে বিধিমালায় প্রয়োজনীয় বিস্তারিত নিয়ম থাকতে হবে যেন সব পক্ষের জন্য বিষয়টি পরিষ্কার হয়।

সর্বোপরি, তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সব প্রার্থীর জন্য একযোগে সংলাপ বা আলোচনা করা বাধ্যতামূলক না কি ঐচ্ছিক তা স্পষ্ট করা জরুরি। এ ধরণের স্পষ্ট দিকনির্দেশনা ছাড়া কার্যক্রমের উদ্বেগ ও বিশৃঙ্খলা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo