1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
৭ জুন বাজেট অধিবেশন: সংসদে পেশ হবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পবিত্র ঈদুল আজহার জন্য ২৫ মে থেকে ৩১ মে টানা সাত দিন সরকারি ছুটি রেললাইনের ঘেঁষে কোরবানির হাট বসানো যাবে না: রেল মন্ত্রণালয় ইসলামপুরে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড; প্রধান আসামি সাদিক খালাস জামালপুরে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, প্রধান আসামি সাদিক খালাস সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বিচার শুরু; গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ড. ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদন রাজধানীর সব ভবনে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ফারজানার আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে ব্যাগ, ড্রেস ও ফুটওয়্যার বিতরণের উদ্যোগ

পিতার হত্যার পর মরদেহের পাশে বসে ছেলে স্মোকিং

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

মাদারীপুরের শিবচরে পারিবারিক অশান্তির জেরে গভীর রাতে এক বাবাকে কোদাল দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে তারই ছেলে। হত্যার পর সেই ছেলে বাবার মরদেহের পাশে বসে সিগারেট ধরিয়ে ছিলেন, যা ঘটনা জানাজানি হলে পুরো এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্ত ছেলে ফারুক মিয়াকে (২৭) গ্রেপ্তার করে।

রোববার (৯ নভেম্বর) শিবচর উপজেলার বাঁশকান্দি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চগ্রাম এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। এরপর সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠায়।

নিহত মনির মিয়া (৬৫) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলারহাট থানার বড়হাটি গ্রামের বাসিন্দা। কয়েক দিন আগে কাজের সন্ধানে পরিবারসহ মাদারীপুরের শিবচরে এসে একটি ভাড়াবাসায় থাকতেন তিনি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রোববার বিকেল থেকে পরিবারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনির মিয়া ও তার ছেলে ফারুকের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। এরপর রাতে প্রায় ১টার সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়লে, ঘুমন্ত অবস্থায় ফারুক পরিকল্পনা অনুযায়ী বাবাকে কোদাল দিয়ে কোপ মারেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

আশপাশের লোকজনের চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায় পরিবারের অন্য সদস্যদের, তারা দ্রুত বাইরে এসে পরিস্থিতি দেখে হতভম্ব হয়ে যান। হত্যাকাণ্ডের পরে ফারুক মরদেহের পাশে বসে থাকলেও, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেখান থেকে কোদাল উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তার করে।

আসামীর বিরুদ্ধে নিশ্চিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের কারণ হতে পারে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত এখনও চলমান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo