1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

জনমত গঠনে রাজপথে জামায়াত: হামিদুর রহমান

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, জামায়াত কোনও প্রেশার গ্রুপ নয়, বরং জনগণের মতামত ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করতে রাজপথে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা মতভিন্নতা মেনে নিতে পারি, তবে মতবিরোধের রাজনীতি চাই না। আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

হামিদুর রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি যে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ইচ্ছা ও অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে এক সুন্দর ও পরিবর্তনশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা এগুচ্ছি। সেই লক্ষ্যে রাজনৈতিক সংস্কারে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি জানিয়েছেন, কিছু নোট অব ডিসেন্ট সহ সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে, তবে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সনদের বাইরে, ফলে সেখানে মতবিরোধ প্রকাশ পায়নি। তবে বাস্তবায়নের সময় মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে।

তার ভাষায়, নির্বাচনের সময় নিয়ে কমিশনের পাঁজরা রয়েছে। গণভোটের দিন নির্বাচন যখন হয়, তখন নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে, যেমন ভোটগ্রহণ স্থগিত বা অনিশ্চয়তা। তিনি বলেন, মূলত নির্বাচনে বিজয়ই লক্ষ্য, কিন্তু সময়ে ভোট বন্ধ থাকলে ফলাফলের ওপর প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই মূল্যায়ন করে নির্ভরযোগ্য ও সমঝোতামূলক ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

জামায়াত নেতা বলেন, আমরা কি আবার ফ্যাসিবাদী সময়ের মতো সনদের অনিশ্চয়তা ফেরাতে চাই? গণভোটের আগে যদি প্রশাসন ও নির্বাচনী সংস্থাগুলি সঠিকভাবে কাজ করে, তা দেশের জন্য সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষার। এর মাধ্যমে জনগণ বিশ্বাসের সঙ্গে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে দেশের জনগণের আস্থা খোয়া গেছে, এখন সেই আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ২৭ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে বিদেশে, অথচ জনস্বার্থে এক থেকে দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে গণভোটের চেষ্টা অপচয় নয় বলেও দৃঢ় বক্তব্য দেন।

বিএনপি ও জামায়াতের সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জামায়াতের আহ্বানে বিএনপি বসতে রাজি হয়নি। তিনি আরও বলেন, আমরা চাইনি রাজনীতি আবার ফ্যাসিবাদী চর্চায় ফিরে যাক। তবে, বিএনপি চাইলে আলোচনায় বসতে আমরা প্রস্তুত।

হামিদুর রহমান যোগ করেন, জামায়াত সব সময়ই আলোচনা চালিয়ে গেছে। পাশাপাশি, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ও রুচির কথা বলেও মত প্রকাশ করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা সহিংসতা সমর্থন করি না, বরং পূর্ণ রাজনীতির ধারায় থাকি।

তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে তিনি বলেন, নব্বইয়ের তিন জোটের রূপরেখা বাস্তবায়িত হয়নি। পরিবর্তন আনা একান্ত প্রয়োজন। তরুণরা কী চায়, সেটিও বুঝতে পেরেছি—তাদের জন্য ভবিষ্যতের দিশা উন্মুক্ত করতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo