1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

অক্টোবরের রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে; বছরব্যাপী বৃদ্ধি দেখা গেছে

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের এই উল্লম্ফনে দেশপ্রেমে স্বস্তি ফিরেছে। চলতি বছর অক্টোবরের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দেশের রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলানের বেশি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে, এই সংখ্যাকিছুটা কম বলে গণ্য হলেও, মোট রিজার্ভ বেড়েছে অন্যভাবে—প্রায় ২৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার। এর থেকে আলাদা রিজার্ভ হিসাব রয়েছে, যা বাংলাদেশ ব্যাংক আইএমএফকে দেখায় না, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী সেটি ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

শুধু ২০২৪ সালের অর্ধেকের তথ্য বলছে, অক্টোবর ৩০ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩২.১৪ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ সোয়া ২৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্য একটি হিসাব অনুযায়ী (যা প্রকাশ্য নয়) রিজার্ভের পরিমাণ ২১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৩ সালের পর থেকে রিজার্ভের ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত।

অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ। এর জন্য মূল উৎস হলো প্রবাসী আয়, রফতানি, বিদেশি বিনিয়োগ ও ঋণ থেকে প্রাপ্ত ডলার। অন্যদিকে, দেশের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয়—যামান, ঋণের সুদ, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের ভিসা খরচ—মিলিয়ে এই মুদ্রা ব্যয় হয়। এসব অর্থ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গঠিত হয়, আর বেশি খরচ হলে তা কমে যায়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর ধরণ পরিবর্তিত হয়েছে। এর ফলে, বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংককে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করতে হয়নি। বরং ব্যাংকগুলো থেকে ডলার পরিচালনা করে তারা।

আর্থিক দিক থেকে দেখলে, চলমান অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে এসেছে ২৪৭.৭৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, আগস্টে তা ছিল ২৪২.২০ কোটি ডলার, সেপ্টেম্বরেএসেছে ২৬৮.৫৮ কোটি ডলার এবং অক্টোবরে তা দাঁড়ায় ২৫৬ কোটি ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মার্চে রেকর্ড ৩২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল। সার্বিকভাবে, ওই অর্থবছরে প্রবাসী আয় এসেছে ৩০.০৩ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১০ বছর আগে, অর্থাৎ ২০১৩ সালের জুনে, দেশের রিজার্ভ ছিল ১৫.৩২ বিলিয়ন ডলার। তার পর ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে রিজার্ভ পৌঁছায় ৩৯ বিলিয়ন ডলারে। এরপর, নভেম্বর ২০২১-এ তা ৪৮.০৪ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছায়। তবে, এরপর অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে এবং ২০২৪ সালে তা কিছুটা সংকোচনের দিকে যায়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo