1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া’ যৌথ গবেষণার জন্য গুরুত্বপুর্ণ গ্রান্ট

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়ে গেছে, যেখানে শিল্প ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যৌথ গবেষণাকে আরো শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ করে তুলতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিল্প-একাডেমিয়া যৌথ গবেষণা সম্প্রসারণে কোলাবরেটিভ রিসার্চ গ্রান্ট প্রোগ্রাম (সিআরজিপি) বাস্তবায়নে কর্তৃপক্ষ জোর দিচ্ছে। এর জন্য এমন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে গবেষকদের জন্য এই প্রোগ্রামের সুবিধা নিশ্চিত হয় এবং গবেষণা কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হয়ে ওঠে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ এডভাইজারি কমিটি (আরএসি)-এর ২২তম সভা ছিল এই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ওই সভা মঙ্গলবার সকাল ১১:৩০টায় প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য ও কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। সভায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য সিআরজিপি এবং এর প্রথম পর্যায়ের রিসার্চ গ্রান্ট প্রোগ্রামের (আরজিপি) প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

উপাচার্য এ সময় বলেন, দেশের উদারবাণিজ্য ও উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথমবারের মতো খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ধরনের অর্থ বরাদ্দ পাওয়া একটি বড় ইতিবাচক দিক। এর মাধ্যমে শিল্প ও একাডেমিয়ার মধ্যে বৈঠক ও সহযোগিতা আরও গভীর হবে। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত বিশ্বে যৌথ গবেষণাকে অত্যন্ত কার্যকর ও ফলপ্রসূ হিসেবে দেখা হয়, তাই আমাদেরও সে পথে এগোতে হবে। তিনি আরো জোর দিয়ে বলেন, গবেষণালব্ধ ফলাফল যথাযথভাবে প্রচার ও শোকেসিং করলে এর কার্যকারিতা ও প্রভাব সর্বস্তরে পৌঁছানো সম্ভব। এর জন্য প্রতি বছর অ্যাকাডেমিক ফেয়ার এবং গবেষণা ও ইনোভেশন সেন্টারের উদ্যোগে বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা করতে হবে, যা গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।

উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান আরও জানান, প্রকল্প প্রস্তাবনাগুলিতে একাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে কোলাবরেশন নিশ্চিত করতে হবে। শুধু একাডেমিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিল্পের সঙ্গে যৌথ গবেষণা করলে ফলাফল আরও বাস্তবমুখী ও প্রয়োগযোগ্য হবে। তিনি গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নে অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের গুরুত্বও তুলে ধরেন।

সভাপতিত্বের পাশাপাশি, কমিটির সদস্য-সচিব ও গবেষণা ও উদ্ভাবনী কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ কাজী দিদারুল ইসলাম এ আলোচনা পরিচালনা করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বনামের বিভিন্ন ডিন ও স্থাপত্য ও অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসরসহ আরো অনেকে, যারা গবেষণার ভবিষ্যৎ দিক নিয়ে মূল্যবান মতামত দিয়েছেন। এই সভার মাধ্যমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্প ও একাডেমিয়া উভয়ের জন্যই নতুন সম্ভাবনার দরজা উন্মোচিত হলো, যেখানে যৌথ গবেষণার মাধ্যমে নতুন উচুঁড়ি ছোঁয়া যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo