1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

কার্গো টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে রপ্তানি ক্ষতি ১২,০০০ কোটি টাকা: ইএবি

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দেশের রপ্তানি খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই অঘটনে প্রায় এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা সাতাশ হাজার কোটি টাকার মতো পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সূচনালগ্নে জানানো হয়, আজ ২০ অক্টোবর সোমবার, রপ্তানি ও শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট সংগঠনের এক জরুরি সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। ওই সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

ইএবি সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু ব্যবসায়ী নয়, দেশের অর্থনীতিও বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বাংলাদেশের পণ্যের ওপর আস্থা হারাতে পারেন, যা আমাদের রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনা যথাযথভাবে তদন্ত হওয়া জরুরি, যাতে ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্গঠনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র—যেখানে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের পণ্য পরিবহন হয়। এমন এক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ধরনের অঘটন কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার গভীর দুর্বলতার চিহ্ন।

সংবাদ সম্মেলনে ইএবি নেতারা প্রশ্ন তোলেন, কি কারণে এত গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনায় প্রয়োজনীয় অটোমেটিক ফায়ার ডিটেকশন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না? আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিম কেন দ্রুত রেসপন্স করেনি? বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিসের আসতেও এত সময় কেন লেগেছিল? তারা অভিযোগ করেন, সিভিল এভিয়েশন, কাস্টমস ও বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স—এই তিন সংস্থা, যা এই কার্গো টার্মিনাল দেখাশোনা করে, তারা কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, অগ্নিকাণ্ডে তৈরি পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল, ফার্মাসিউটিক্যাল কাঁচামালসহ নানা রপ্তানি পণ্য পুড়ে গেছে। ফলে অনেক ক্রেতা তাদের অর্ডার বাতিল করেছেন এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইএবি ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি তুলে ধরেছে। এর মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্তদের বিমা দ্রুত দাবি দাবি করা, যেসব পণ্য বীমার আওতায় আসেনি, তাদের জন্য সরকারি বিশেষ তহবিলের ব্যবস্থা, কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের আধুনিকায়ন ও নিরাপত্তা জোরদার, রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন, আধুনিক স্ক্যানার ও মনিটরিং প্রযুক্তি লাগানো, কার্গো ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশন ও ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা উন্নয়ন।

অন্তঃকরণে, রপ্তানিকারকরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, এই ধরনের দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করা হোক, যাতে সম্পূর্ণভাবে পরিস্থিতি বোঝা যায় এবং ভবিষ্যতে এর প্রতিকার করা সম্ভব হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo