1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

শেখ হাসিনার বিচার না হলে July শহীদদের ওপর অবিচার হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, 1971 সালে অনুষ্ঠিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের কথা উল্লেখ করে তিনি warn করেছেন যে, যদি শেখ হাসিনা সহ অন্য আসামিরা বিচার না পান, তবে জুলাই মাসে শহীদ ও আহতদের ওপর অবিচার চলবে। আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সর্বশেষ শুনানিতে এই মন্তব্য করেন তিনি।

আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন, প্রথমে তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে শেখ হাসিনা ন্যায়বিচার পাবেন। কারণ, তিনি অন্যদের উদ্দেশে বলেছিলেন, সাহস থাকলে বিচারকের মুখোমুখি হন। কিন্তু এখন তিনি মনে করেন, তিনি এই কথা মন থেকে বলেননি, কারণ যদি বলতেন, আজকে তাঁরা দেশের আদালতে এসে বিচারকের সামনে দাঁড়াতেন।

তিনি আরও জানান, এই আসামিদের উপযুক্ত শাস্তি না দিলে দেশের আরও অসংখ্য মানুষ বিপন্ন হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত না হলে বাংলাদেশে অনেকেই ভীরু ও কাপুরুষের মতো জীবন কাটাবেন। তিনি সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

তার কথার পরে ট্রাইব্যুনাল বলেছে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে, নিহত ও আহত পরিবারসহ সকল পক্ষই যথাযথভাবে বিচার পাবে।

প্রসিকিউশন আজকের শুনানিতে শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে শেষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছে। এরপর সিদ্ধান্তের জন্য রায়ের দিন ধার্য করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

এর আগে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চলমান মামলার শুনানিতে জুলাই মাসে সংঘটিত গণহত্যা, নৃশংসতা, আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম-খুনসহ নানা জেলাজনিত নির্যাতনের তথ্য প্রকাশ পায়। মামলায় বেশ কিছু সাক্ষ্যদান করেন প eyewitnesses, জনমত তৈরি করেছেন গুম-খুনের পুলিশ কর্মকর্তা ও অন্যান্য ব্যক্তিরা।

সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রসিকিউশন বলছে, এখন পর্যন্ত উপস্থাপিত প্রমাণ ও সাক্ষ্যগুচ্ছ বিশ্বের যে কোনও আদালতেই আসামিদের অপরাধ নিশ্চিতের জন্য যথেষ্ট।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo