1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
নাসির ও তামিমার মামলার রায় ঘোষণার দিন—১০ জুন চীন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় জুনের মধ্যেই মাঠ থেকে সব সেনা প্রত্যাহার, ব্যারাকেই ফিরবে সদস্যরা নাসির-তামিমা মামলার রায় ঘোষণা ১০ জুন সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে

অশান্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতি নারী ও তরুণদের পথ রুদ্ধ করছে

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৫

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) সম্প্রতি ‘নেতৃত্বে নারী ও তরুণ: বাধা কোথায়?’ শীর্ষক একটি সংলাপ ও কর্মশালার আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, তরুণ রাজনীতিবিদ, নারী নেতৃত্ব এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা। মূল লক্ষ্য ছিল নারীদের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা ও সম্ভাবনাগুলো নিয়ে আলোচনা করার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। পাশাপাশি তরুণ নেতাদের মধ্যে রাজনৈতিক নেতৃত্বে লিঙ্গভিত্তিক মানদণ্ড নিয়ে সচেতনতা ও ক্ষমতা বৃদ্ধি করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর জামায়াতের সভাপতি এড. জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, নগর ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ, সিপিবি খুলনার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. মো: বাবুল হাওলাদার এবং এনসিপি খুলনা জেলার সংগঠক ডা. আব্দুল্লাহ চৌধুরী। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সিজিএস’র প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান।

এই কর্মশালা বাংলাদেশের অবদান থাকা নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সহায়তায় পরিচালিত ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারী ও তরুণদের সম্পৃক্ততা’ প্রকল্পের অংশ। মূল আলোচনাটির সূচনা করেন সঞ্চালক জিল্লুর রহমান, যিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে ধরেন। তিনি বুঝতে চান, খুলনা অঞ্চলে নারীরা ও তরুণ সংগঠকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও কেন সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়ছেন। তিনি আরও জিজ্ঞেস করেন, সমাজ, পরিবার বা রাজনৈতিক সংস্কৃতি—কোনটি সবচেয়ে বড় বাধা। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পরিকল্পিত গণআন্দোলনের পর সৃষ্ট প্রজন্মের মধ্যে আস্থা সংকটের বিষয়টিও তিনি উত্থাপন করেন, যেখানে নেতৃত্বের পরিবেশ ও যোগ্যতার পরিবর্তে আনুগত্যকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি আঙুল তোলে।

অতিরিক্তভাবে, তিনি বাধ্যতামূলক প্রার্থী কোটা, নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন এবং অনলাইন হয়রানি প্রতিরোধের বিষয়ে আলোচনা করার জন্য প্যানেলিস্টদের অনুরোধ জানান। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যত নেতৃত্বের জন্য গুণাবলী কি হওয়া উচিত, সে বিষয়ে তাদের ধারণা জানা জরুরি।

প্যানেল আলোচনার পর, উপস্থিত তরুণ ও নারী প্রতিনিধিরা দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। এই কর্মশালার মাধ্যমে দলীয় আলোচনা ও কার্যক্রমের মাধ্যমে রাজনীতিতে নারীর ও তরুণের সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিবন্ধকতাগুলো আরও গভীরভাবে চিহ্নিত হয়, এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের খোঁজও চালানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo