1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:৫২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ

নিম্নচাপে উত্তাল বঙ্গোপসাগর, ঘাটে ফিরেছে ইলিশ শূন্য শত শত ট্রলার

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৫

উত্তাল বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপে দেশে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ঘূর্ণিনীর কারণে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে ইলিশে ভরপুর বঙ্গোপসাগর এখন ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের মুখোমুখি। গভীর নি¤œচাপের প্রভাবে প্রবল ঝড়ো বাতাস শুরু হওয়ায় সাগরে মাছ ধরা কর্মক্ষম ট্রলারগুলো দ্রুত কূলে ফিরে আসতে শুরু করে। বুধবার বিকেল থেকে শুরু হয়ে রাতে বাগেরহাটের শরণখোলার শতাধিক বড় ট্রলার, যারা ইলিশ শিকার করছিল, তারা নিরাপদে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ঘাটে পৌঁছে গেছে। ছোটবড় মিলিয়ে আরো একশোটির মতো ট্রলারও এখন পথে, যারা দ্রুত ঘাটে ফিরবে বলে প্রত্যাশা করছে মাছের আকাল ও আবহাওয়ার কারণে। এই পরিস্থিতিতে অতীতের মতো ইলিশ ধরা সম্ভব না হওয়ায়, জেলেরা এবং মাছ ব্যবসায়ীরা হতাশায় ভুগছেন। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো, এই মুহূর্তে প্রচুর ইলিশ থাকলেও আবহাওয়ার কারণে অনেক ট্রলারই লাইসেন্সের আওতায় এসে চলে আসছে। বিশ্লেষকদের ধারনা, এবারের বৈরি আবহাওয়ার কারণে অনেক ট্রলারই এই ট্রিপে মাছ ধরতে পারেনি বা খুব কম মাছ পেয়েছে, ফলে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। জানাজানি হচ্ছে, এক সপ্তাহ আগে শেষ ট্রিপে অনেক জেলে অনিশ্চিত আশা নিয়ে সাগরে পাড়ি দিয়েছিলেন, কিন্তু মেঘের রোষে, ঝোড়ো বাতাসে তাদের মাছ ধরা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়ে। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া প্রবল ঝড়ের কারণে জেলেরা দ্রুত জাল তুলে সাগর থেকে উঠে আসে। বেশিরভাগ ট্রলার আজ বা কাল কূলে ফিরে আসবে বলে জানিয়েছেন সংঘটিত ট্রলার মালিক ও আড়ৎদাররা। শরণখোলার বড় ট্রলারগুলো, যেগুলো গভীর সাগরে মাছ ধরতে পাঠানো হয়, বেশিরভাগই এ বার ধরা পড়েনি। অন্যদিকে, ছোট জালের ট্রলারগুলোতে ইলিশের উপস্থিতি দেখা গেছে, যা বলে মনে করা হচ্ছে লাভজনক হতে পারে। শরণখোলা সমুদ্রগামী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন বলেছেন, এই বছর ইলিশের উপস্থিতি তেমন নেই, তাই বেশিরভাগ ট্রলার ও আড়ৎদার ক্ষতির মুখোমুখি। আজ বা কাল ফিরছে ট্রলারগুলো, কিন্তু নানা কারণে অধিকাংশেরই চালান মধুর ফল দিতে পারছে না। মাতৃ ইলিশ রক্ষা প্রকল্পের আওতায় এই শনিবার থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশ ধরা, মজুদ ও বিপণনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, বলে জানান শরণখোলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা অঞ্জন সরকার। জানানো হয়, শরণখোলায় বর্তমানে ৬৮০০ এর বেশি নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন, যার মধ্যে ৪৫০০ জন ইলিশ মাছ ধরা নিয়ে নিবিড় কাজ করেন। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে প্রত্যেক জেলেকে ২৫ কেজি করে রিচার্জভিত্তিক চাল দেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা অসুবিধায় না পড়েন। ফলে সরকারি এই পদক্ষেপে মাছ প্রজনন ও আহরণ বাধা করা সম্ভব হলে ভবিষ্যতে মাছের সরবরাহের ওপর প্রভাব পড়বে বলে আশা করছে প্রশাসন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo