1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

খুলনার রূপসা খেয়াঘাটে ভোগান্তির অব্যাহত অবস্থা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

খুলনার রূপসা খেয়াঘাটটি একদিকে যেমন নদী পারাপারে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, অন্যদিকে এটি ভোগান্তির এক নিত্যনৈমিত্তিক অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এই ঘাট দিয়ে নদী পাড়ি দেন, কিন্তু তাদের বেশিরভাগই অভিযোগ করেন ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার, অসাধু মনোভাব ও অনিয়মের কারণে দুর্ভোগে পড়েন। বিশেষ করে রাতে এই অনিয়মের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। রাতে আগেভাগেই, অর্থাৎ নয়টায় যাওয়ার আগে, জনপ্রতি পারানি (প্রতি যাত্রীর জন্য নেওয়া অতিরিক্ত ভাড়া) পাঁচ টাকা করে আদায় করা হয়। এছাড়াও Sাড়ে ১১টার পর থেকে রাতের অন্ধকারে পুরুষ ও মহিলাদের কাছ থেকে দশ টাকা করে পারানী নেওয়া হয়। আইনি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই মোটরসাইকেল ভাড়া হয় বিশ থেকে ত্রিশ টাকা। ট্রলারে সাধারণত ধারণের ক্ষমতার চেয়েও বেশি যাত্রী নেওয়া হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে মাঝিয়ারা দুর্ব্যবহার করে থাকেন। উপরন্তু গ্যাংওয়ে দিয়ে জনসাধারণের চলাচল ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ করে ভাটা অবস্থায় গোটা পদ্ধতিই মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। প্রশাসনের কোন কার্যকর নজরদারি না থাকায় বিভিন্ন অনিয়ম এখন পর্যন্ত অব্যাহত। সম্প্রতি রূপসা ঘাট কর্তৃপক্ষ কিছু কাঠ বিছিয়ে দেওয়ায় কিছুটা স্বস্তি এসেছে। তবে স্থানীয়রা জোর দাবি জানিয়েছেন নতুন গ্যাংওয়ে স্থাপন ও পুরাতন গ্যাংওয়ের দ্রুত অপসারণের জন্য। বাইনতলা গ্রামের শফিকুল ইসলাম বলেন, “ট্রলার মাঝিরা অনিয়ম করছে, দেখার মতো কেউ নেই।” যাত্রী জাহিদুল ইসলাম জানান, অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে মাঝিদের অপমান ও হাততালি করা হয়। ট্রলার হয়তো ২০ জনের জন্য তৈরি, কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রী উঠানো হচ্ছে অব্যাহতভাবে। এতে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ভুক্তভোগীরা জানান, বিভিন্ন সময় নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন তাঁরা। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি কর্মজীবী, ব্যবসায়ীসহ নানা পেশার মানুষ নিয়মিত এই ভোগান্তিতে পড়েন। বিগত সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হলেও বর্তমানে তা আর হয় না, ফলে মাঝিয়ারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। খেয়াঘাটে পারাপার করতে সাহস পাওয়া যেকোনো যাত্রীর জন্য পারানী গুণতে হয় আট টাকা। এই সব অনিয়মের কারণে সাধারণ মানুষ জীবন বাজি রেখে নদী পার হচ্ছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo