1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি: বিএনপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশিত দেশ গড়তে সবার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী আসুন সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি — বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীসহ মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান দেশের মানুষ ও বিশ্ব মুসলিমদের পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা ঈদুল ফিতরে পদ্মা-যমুনা সেতুতে রেকর্ড যানবাহন পারাপার ও টোল আদায় ঈদযাত্রায় ৩ দিনে পদ্মা সেতুতে ১৩ কোটি ২১ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ টাকার টোল আদায় নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ পড়বেন প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণা: জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী একসঙ্গে নামাজ পড়বেন

সর্বোচ্চ আদালত আবারও রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নিয়ে আপিল শুনবেন

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫

দেশের সব থেকে উচ্চ আদালত আজ বুধবার (২৮ আগস্ট) ঘোষণা করেছেন যে, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের পদমর্যাদার মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে করা আপিলের বিচার আবারও শুনানি হবে। একই সঙ্গে অ্যাপিলের নম্বর এবং তার শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা হলো ৪ নভেম্বর। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ নির্দেশনা দেয়।

২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি আপিল বিভাগ বিচার করে দেশের রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম নির্ধারণ করে। ওই রায় প্রকাশ পায় ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর। এই রায়ে বলা হয়, সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন, তাই রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমে শীর্ষে থাকা ব্যক্তিদের গুরুত্বকে বিবেচনায় নিয়ে তাদের উচ্চতা নির্ধারণ করা উচিত। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল সরকারি সচিব, জেলা জজ ও সংশ্লিষ্ট বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের স্থান।

রায় অনুযায়ী, জেলা জজ ও সমমর্যাদার বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমের ১৬ নম্বর থেকে ২৪ নম্বরের মধ্যে থাকবেন এবং তারা সরকারের সচিবদের সমমর্যাদায় উন্নীত হবেন। জুডিশিয়াল সার্ভিসের সর্বোচ্চ পদ হলো জেলা জজ। সরকারের অন্য গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে সচিবরা রয়েছেন। অতিরিক্ত জেলা জজ ও অন্যান্য বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের স্থান হবে জেলা জজদের ঠিক পরেই, অর্থাৎ ১৭ নম্বর পদের কাছাকাছি।

আরও বলা হয়, রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম কেবল রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের সময়ই ব্যবহার করা উচিত। এটি নীতিনির্ধারণ বা অন্য কোনও কার্যক্রমে প্রয়োগ করা যাবে না।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ তৈরি হয়, যা পরে ২০০০ সালে সংশোধন করা হয়। মূলত, এই ওয়ারেন্টের বৈধতা নিয়ে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব আতাউর রহমান ২০১০ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। হাইকোর্ট তখন এই ওয়ারেন্ট বাতিলের নির্দেশনা দিয়ে রায় দেন এবং কিছু নির্দেশনা দেন যাতে এই নথির ব্যবহার সীমিত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo