1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি ২১ অক্টোবর

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

আদালত আজ ঘোষণা করেছে যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের ওপর শুনানি ২১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ আজ বুধবার (২৭ আগস্ট) এই সিদ্ধান্ত নেন। শুনানির শুরুতে বিচারপতি শিশির মনির অভিযোগ করেন, যেসব বিচারপতি এই রায় দিয়েছিলেন তারা পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন, যা নিশ্চিত করেছে রিভিউতে নতুন করে আলোচনা হওয়া দরকার।

আদালত সুস্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে গভীরভাবে ভাবছে এবং এমন একটি কার্যকর সমাধানে পৌঁছাতে চায়, যাতে ভবিষ্যতেও নির্বাচনপ্রক্রিয়া বারবার বিঘ্নিত না হয়।

বিচারপতি শিশির মনির মো mouths গোপন করেন যে, ২০১১ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগের সাত সদস্যের বেঞ্চ এই ব্যবস্থা মান্যতা দিয়েছিল। ওই সময় এই সংশোধনী সংবিধানসম্মত বলে রায় দেয়ার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাচন ব্যবস্থাকে বাতিল করা হয়। ২০০৪ সালে এই সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট, কিন্তু পরে ২০১১ সালে আপিল বিভাগ এই ব্যবস্থা বাতিলের আদেশ দেয়।

অতীতে, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নাগরিক সংগঠন এই রায় পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেছিল। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার—all এই রায় আবার দেখার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যুক্ত হয়, যা ২০০৪ সালে হাইকোর্ট বৈধ হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে শেষ জাতীয় নির্বাচন হয়, যেখানে আওয়ামী লীগ বেশি আসনে জয়লাভ করে। তবে, ২০১১ সালে আপিল বিভাগ এই ব্যবস্থা বাতিল করে দেয়, যা এখনও দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo