1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সরকারি বিভাগের ধীরগতি বিনিয়োগে প্রধান প্রতিবন্ধকতা: মির্জা ফখরুল মদনে শিশুধর্ষণ ও ন্যূনতম অন্তঃসত্ত্বা অভিযোগ: শিক্ষকে গৌরিপুর থেকে গ্রেপ্তার গরুর হাটে চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না: প্রতিমন্ত্রীর কড়া বার্তা এপ্রিল মাসে সড়ক, নৌ ও রেল দুর্ঘটনায় ৪৩৪ জনের মৃত্যু সেনাপ্রধানের মতে, দেশের ইতিহাসে এত সুন্দর নির্বাচন আগে হয়নি এনসিপির নুসরাত তাবাসসুম শপথ নিলেন ত্রয়োদশ সংসদে সংসদ সদস্য হিসেবে শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ: সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল রাজসাক্ষী হতে চান ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা মেহেরপুরে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা ঈদুল আজহা: ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির সময়সূচি ঘোষণা

বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত চাল আমদানির ঘোষণা ভারতের বাজারে চালের দাম বাড়িয়ে দিল

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫

বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত চাল আমদানির ঘোষণা দেওয়ার পরপরই ভারতের বাজারে চালের দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে। গত দু’দিনে ভারতের বাজারে বিভিন্ন ধরনের চালের দাম প্রায় ১৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকার খাদ্য সরবরাহের নিশ্চয়তা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ৫ লাখ টন চালের ওপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করে নেয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতের বেশ কিছু বড় চাল ব্যবসায়ী সুবিধা নিতে বাংলাদেশে চাল রপ্তানির ঝুঁকি নিচ্ছেন, যা ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে সাময়িক ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করেছে। ఈ তথ্য জানিয়েছেন ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ, উত্তর প্রদেশ ও দক্ষিণ ভারতের ব্যবসায়ীরা আগে থেকেই জানতেন যে বাংলাদেশ সরকার চালের ওপর থেকে ২০ শতাংশ আমদানি শুল্ক সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করবে। এই খবর পেয়ে তাঁরা পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্তের কাছাকাছি গুদামে চাল প্রস্তুত রেখেছিলেন। গত বুধবার বাংলাদেশ সরকারের এই শুল্ক প্রত্যাহার ঘোষণার পরই তারা ট্রাকে করে চাল বাংলাদেশে পাঠানো শুরু করেন।

এ কারণে ভারতের খুচরা বাজারে চালের দাম উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। স্বর্ণা চালের দাম কেজি প্রতি ৩৪ রুপি থেকে বেড়ে ৩৯ রুপি, মিনিকেটের দাম ৪৯ থেকে ৫৫ রুপি, রতœা চালের দাম ৩৬-৩৭ থেকে ৪১-৪২ রুপি এবং সোনা মাসুরি চালের দাম ৫২ থেকে ৫৬ রুপি প্রতি কেজিতে উঠেছে।

রাইসভিলা নামের এক চাল রপ্তানিকারক সংস্থার সিইও সুরজ আগরওয়াল বলেছেন, বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) শুল্ক প্রত্যাহার ঘোষণার সাথে সাথেই ভারতে থেকে চাল বাংলাদেশে রপ্তানি শুরু হয়। তিনি বলেন, ‘লজিস্টিক সুবিধা ও খরচের দিক থেকে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে চাল রপ্তানি বেশি লাভজনক হওয়ায় উত্তর প্রদেশ ও দক্ষিণ ভারতের মিলাররা এই পথ বেছে নিচ্ছেন।’

অন্ধ্র প্রদেশের এক চাল মিলার সিকে রাও বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকালেই আমার ট্রাকগুলো বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছে।’

বাংলাদেশের এই শুল্ক প্রত্যাহারের মূল লক্ষ্য হলো অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের দামের স্থিরতা বজায় রাখা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি কমানো, যাতে ভোক্তারা স্বস্তিতে থাকেন। গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) বাংলাদেশে চালের দাম ১৬ শতাংশ বেড়েছিল, তখন দেশটি অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য প্রায় ১৩ লাখ টন চাল আমদানি করেছিল।

চাল রপ্তানিকারক সংস্থা হালদার ভেঞ্চার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেশব কুমার হালদার জানান, বিশ্বব্যাপী চালের সরবরাহ উদ্বৃত্ত থাকায় আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম কম ছিল। তিনি বলছেন, ‘বাংলাদেশের এই রপ্তানি অর্ডার ভারতের বাজারকে মন্দা থেকে ঘুরিয়ে দিতে সাহায্য করবে, কারণ זה নতুন চাহিদা সৃষ্টি করেছে এবং বৈশ্বিক মূল্যহ্রাস হালকা হলেও কিছুটা পুষিয়ে দিচ্ছে।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo