1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ইসি অনলাইনে নয়, ম্যানুয়ালি ইস্যু করবে সাংবাদিক কার্ড নির্বাচন কমিশন: সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচারণা চালাতে পারবেন না দুদক অনুমোদন: প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইকবাল ও সালাম মুর্শেদীসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা নির্বাচনে নেই যারা, তাদেরকেই গণ্ডগোলের কথা বলছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ঢাকা–করাচি নন-স্টপ ফ্লাইট কাল থেকে শুরু ড. মুহাম্মদ ইউনূস না আসায় ৩৩২ নম্বর এআইকে পাঠালেন প্রধান উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিতের জন্য রিট দাখিল অ্যামনেস্টির মহাসচিবের খোলা চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট শুরু হচ্ছে কাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না: রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনস

বসানো হলো পদ্মা সেতুর ৩৩তম স্প্যান

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০

মাত্র ৮ দিনের ব্যবধানে পদ্মা সেতুর ৩৩তম স্প্যান সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় বসে গেছে। ‘১সি’ নামের এই স্প্যান মাওয়া প্রান্তের ৩ ও ৪ নম্বর খুঁটির ওপর সফলভাবে স্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে সেতুর দৃশ্যমান হলো ৪ হাজার ৯শ মিটার।

পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো: আব্দুল কাদের জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্প্যানটি নিয়ে রওনা দেয় প্রায় ৯ শ’ মিটার দূরের ৩ ও ৪ নম্বর খুঁটির কাছে। পরে দুপুর ১২টায় এটি খুঁটির ওপর বসানো হয়। এর আগে গত ১১ অক্টোবর স্থাপন করা স্প্যানটির পাশেই এটি বসানো হয়।

চলতি মাসে আরো দুইটি অর্থাৎ ২৫ অক্টোবর ৩৪তম এবং ৩০ অক্টোবর ৩৫তম স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। যে ৮টি স্প্যান রয়েছে তা চলতি বছরের মধ্যেই খুঁটিতে বসানোর টার্গেট নিয়েই কাজ চলছে। এখন স্প্যানও প্রস্তুত তাই খুঁটিতে বসিয়ে দেয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এছাড়া বসানো স্প্যানগুলোতেও স্লাব বসানোর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। এ পর্যন্ত সেতুর উপরের তলায় রোডওয়ে স্লাব বসানো হয়ে গেছে ১ হাজার ৭৬টি। আর রেলওয়ে স্লাব বসেছে ১ হাজার ৫শ ৯০টি।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি দ্বিতল হবে, যার ওপরে থাকবে সড়কপথ ও নিচের অংশে থাকবে রেলপথ। সেতুর এক খুঁটি থেকে আরেক খুঁটির দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিটার। একেকটি খুঁটি ৫০ হাজার টন লোড নিতে সক্ষম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসিকতায় নিজস্ব অর্থায়নে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূলসেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদী শাসনের কাজ করছে চীনের ‘সিনো হাইড্রো কর্পোরেশন’।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo