1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে এর সুফল পাচ্ছেন না হিজড়ারা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ আগস্ট, ২০১৮

তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে সরকার হিজড়াদের স্বীকৃতি দিলেও এখনো তারা সমাজে উপেক্ষিত। আইনের মাধ্যমে তাদের অধিকারগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। তবে আর্থ সামাজিক উন্নয়নে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে তাদের জন্য। বগুড়াতেও সরকারের কিছু কিছু উদ্যোগ থাকলেও অনিয়ম আর দুর্নীতির কারণে এর সুফল পাচ্ছেন না হিজড়ারা। উন্নয়ন এবং সমাজকর্মীদের মতে, জীবন মান উন্নয়নে সরকার এবং হিজড়া অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে।

‘রাস্তায় চলতে গেলে মানুষ কথা বলেন, হাসপাতালে গেলে হিজড়া বলে চিকিৎসা পায় না’। হিজড়াদের গুরুমা হিসেবে পরিচিত সুমী এ ভাবেই তাদের নিগৃহীত হওয়া এবং বগুড়ার সমাজ সেবার অনিয়ম ও দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন। আচরণ পরিবর্তন এবং সংযতভাবে চলাফেরা করতে চাইলেও অর্থনৈতিক দীনতাসহ মৌলিক অধিকারগুলো বাস্তবায়ন না হওয়ায় বাধ্য হয়ে পুরানা পেশায় চলতে হচ্ছে তাদের। বগুড়ায় অক্ষর জ্ঞান দেয়ার জন্য একমাত্র বিদ্যালয়টিতেও বইখাতা বেতনপত্র কিছু দেয়া হয়নি ৪ বছর ধরে।

হিজড়ারা বলেন, ‘বই পায় না। খাতা কলম পায় না। আমরা লেখাপড়া শিখবো কি ভাবে। কর্ম না পেয়ে গ্রামে গ্রামে গান বাজনা করে খেতে হয় আমাদের। বাসস্থানের পাশাপাশি আমাদের কর্ম দিলে আমরা ভালোভাবে চলতাম। সরকার এতো অনুদান করছে এত বাজেট করছে আমাদের জন্যে। সেই টাকা কই যাচ্ছে!’

উন্নয়ন এবং সমাজকর্মীদের মতে, হিজড়া জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল ধরায় ফিরে আনতে প্রয়োজন সরকারের স্বীকৃতির বাস্তবায়ন এবং তাদের সক্ষম বাবা মার উদ্যোগ।

টিএমএসএসের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপিকা ড. হোসনে আরা বেগম বলেন, ‘স্বীকৃতি দিতে আইন করেছে সরকার। এই আইনকে বাস্তবায়নের জন্যে নিতিমালা দরকার।’  কবি ইসলাম রফিক বলেন, ‘তাদের আর্থিক সমস্যা না মেটালে। সমাজের চোখে তাদের সম্মানিত না করলে এই সমস্যা থেকেই যাবে।’

সরকারের নির্দেশে জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে হিজড়াদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিতের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ করছে।  আর দুর্নীতি এবং অনিয়মের কথা অস্বীকার করেন সমাজসেবার উপ-পরিচালক সহিদুল ইসলাম খান।

২০১৩ সালের ১১ নভেম্বর মন্ত্রীসভার বৈঠকে হিজড়া নীতিমালা অনুমোদন হলেও এখন পর্যন্ত আইনে রূপ নেয়নি নীতিমালাটি। বগুড়া জেলার ১২টি উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার হিজড়া বা তৃতীয় লিঙ্গ বসবাস করছে। 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo