দিল্লির পুলিশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করেছে। তারা এবং দলের বেশ কয়েকজন নেতা স্কুল-কলেজের ছাত্রদের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে লোক কল্যাণ মার্গে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছিলেন।
কর্মসূচি বিকেলে লোক কল্যাণ মার্গে শুরু হয় এবং কংগ্রেস চারটি দাবিতে জোর দেয়: ছাত্রদের ওপর লাঠিপেটার ঘটনা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে ব্যাখ্যা, প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার নিয়ে সংসদীয় আলোচনা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ছাত্রদের কাছে ক্ষমা চাওয়া।
অনুষ্ঠানের সময় রাহুল এক্সে (টুইটার) পোস্ট করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহেরও পদত্যাগের দাবি তোলেন। কয়েক ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পরে দিল্লি পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে কংগ্রেস এমপিদের আটক করতে শুরু করে। প্রথমে কংগ্রেস নেতা কানহাইয়া কুমারসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়; পরে এমপি সুখজিন্দর সিংকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
অন্য অনেক এমপি আটক হলেও রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা এবং আরও কয়েকজন কর্মসূচি চালিয়ে যেতে থাকেন। পরে পুলিশ ওই দুই শীর্ষ নেতাকেও আটক করে নিয়ে যায়; তাদের কোথায় নেওয়া হয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। হিন্দুস্থান টাইমস রাহুলের একটি আটকের ছবি প্রকাশ করেছে এবং প্রতিবেদনে বলা হয়েছে পুলিশ তাদের ঘটনাস্থল থেকে জোরপূর্বক সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে।
আটকের আগে এমপি সুখজিন্দর সিং গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘এমপিদেরই যদি এমন পরিস্থিতি হয়, তাহলে ছাত্রদের সঙ্গে কী হচ্ছে তা ভাববার বিষয়।’’ স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে (বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৭টা) পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে থাকা বাকিদেরও সরিয়ে দেয়।