1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

খুলনায় নির্জনা হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি বাবা আলীম হোসেন আকাশ গ্রেপ্তার

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

খুলনার আলোচিত নির্জনা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও নিহতের বাবা মো. আলীম হোসেন আকাশকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৬। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। র‍্যাব-৬, স্পেশাল কোম্পানি ও কেএমপি সদর থানার পুলিশ মিলিতভাবে এই অভিযান চালায়।

পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জুলাই রাতে নির্জনা নামে ওই কিশোরীকে হত্যা করে তার মরদেহ একটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে খুলনা সদর থানার প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ খাদ্যতদন্ত ও প্রাথমিক তল্লাশির পর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

এ ঘটনার পর খুলনা সদর থানায় কর্মরত নারী এসআই লাভলী আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। তদন্তে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ ও পলিসির মুখ্য সন্ধান থেকে বেরিয়ে এসেছে যে, পারিবারিক কলহ ও অভিমানকে কেন্দ্র করে বাবা আলীম হোসেন আকাশ ও মা আরিফা ইয়াসমীন সীমা মিলে তাদের মেয়েকে হত্যা করেছেন।

ঘটনার পর থেকে প্রধান আসামি আলীম হোসেন আকাশ আত্মগোপনে ছিলেন। এরপরেই মা আরিফা ইয়াসমীন সীমাকে আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল; আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে তদন্তে জানা গেছে। শনিবারের গ্রেপ্তারির পর আকাশকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কাণ্ডটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই স্থানীয় জনগণ উদ্বিগ্ন ছিল; প্রধান আসামির গ্রেপ্তারে এলাকায় সতর্কতার পাশাপাশি সন্ত্রস্ত জনমনে সান্ত্বনা ফিরেছে। পুলিশ ও র‍্যাব এখন পর্যন্ত মামলার অন্যান্য দিক ও তদন্তকে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং শিগগিরই তদন্তের ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo