আস্ট্রিয়াকে হারিয়ে আগেই ফাইনাল-৩২ নিশ্চিত করেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর শুধু ছিল গ্রুপের শীর্ষস্থান ছিনিয়ে নেওয়ার অপেক্ষা — আর সেটাও এখন সম্পন্ন। একই গ্রুপের আরেক ম্যাচে জর্ডান যখন আলজেরিয়ার কাছে হারলো, তখন ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আলবিসেলেস্তের স্থান নিশ্চিত হয়ে গেল।
গ্রুপসেরা হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী আর্জেন্টিনা শেষ-৩২ এ ‘এইচ’ গ্রুপের রানার্স-আপের মুখোমুখি হবে। এই মুহূর্তে ওই দ্বিতীয় স্থানে আছে উরুগুয়ে, তাই আপাতত উরুগুয়েই আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ বলে ধরা হচ্ছে। ম্যাচটি হবে ৪ জুলাই, মায়ামিতে—বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায়।
তবে ‘এইচ’ গ্রুপের শেষ রাউন্ডের দুটি ম্যাচের ফল নিজেদের দিকে বদলে দিতে পারে প্রতিপক্ষের চিত্র। সেখানে স্পেন ও উরুগুয়ে মুখোমুখি হচ্ছেন; অপর ম্যাচে কেপ ভার্দে খেলছে সৌদি আরবের বিপক্ষে। ফলাফল অনুসারে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হতে পারে উরুগুয়ে, স্পেন, কেপ ভার্দে বা সৌদি আরব।
নিচে সংক্ষেপে কিভাবে কোন দল আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে তা দেখানো হলো:
1) স্পেন কিভাবে প্রতিপক্ষ হতে পারে
– উরুগুয়ে যদি স্পেনকে হারায় এবং কেপ ভার্দে-সৌদি আরব ম্যাচ ড্র হয়।
– উরুগুয়ে যদি স্পেনকে হারায় এবং অন্য ম্যাচে সৌদি আরব কেপ ভার্দেকে হারায়।
2) কেপ ভার্দে কিভাবে প্রতিপক্ষ হতে পারে
– স্পেন যদি উরুগুয়েকে হারায় এবং একই সঙ্গে কেপ ভার্দে সৌদি আরবকে হারায়।
– স্পেন যদি উরুগুয়েকে হারায় এবং কেপ ভার্দে-সৌদি আরব ম্যাচ ড্র হয়।
3) সৌদি আরব কিভাবে প্রতিপক্ষ হতে পারে
– স্পেন যদি উরুগুয়েকে হারায় এবং সৌদি আরব কেপ ভার্দেকে হারায়।
– স্পেন ও উরুগুয়ে ম্যাচটি ড্র হলে এবং অন্য ম্যাচে সৌদি আরব কেপ ভার্দেকে হারায়।
সার্বিকভাবে বললে, সমীকরণগুলো বেশ জটিল এবং প্রতিটি দলের শেষ রাউন্ডের ফলাফলের উপর নির্ভরশীল। ফলে এখনই চূড়ান্ত প্রতিপক্ষ নিয়ে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না — সবকিছু নির্ধারিত হবে ওই দুই ম্যাচের খেলার পর।