1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

গৃহকর্মী নির্যাতন: সোনাডাঙ্গা এসআই সঞ্জয় ও স্ত্রীর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) সঞ্জয় কুমার সরকার ও 그의 স্ত্রী পপি রানী সাহাকে গৃহকর্মী নির্যাতনের মামলায় আদালত আজ (১৮ জুন, বৃহস্পতিবার) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ দম্পতিকে বিকেল ৪টায় মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়; বিচারক ফারুক ইকবাল তাদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গৃহকর্মী মিলন দাশের মা মিনতি রানী সোনাডাঙ্গা থানায় একটি ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের পর পুলিশ ওই দম্পতিকে গ্রেপ্তার দেখায়।

পুলিশ ও মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত বুধবার দুপুরে তরকারি পুড়ে যাওয়া অজুহাতে পপি রানী মিলনকে মারধর করেন। অভিযোগ আছে, তিনি নির্যাতনের সময় মিলনের শরীরে গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁকা দিয়েছেন। নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয় এবং জনগণের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করে।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বুধবারই মিলনকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নেওয়া হয় এবং পরে এএসআই সঞ্জয় ও তার স্ত্রীকে থানা হেফাজতে রাখা হয়।

সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী মিলন দাশ নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার নিশ্চিন্তপুর এলাকার উকিল চন্দ্রের কন্যা। তিনি গত পাঁচ বছর ধরে এএসআই সঞ্জয়ের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করছিলেন। ভিডিওটি দেখে মিলনের মা খুলনায় আসার সিদ্ধান্ত নেন এবং বুধবার রাতে খবর পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে থানায় এসে মামলা করেন।

ওসি আরও জানান, বুধবার থেকে অভিযুক্ত পুলিশ দম্পতি গৃহকর্মী সম্পর্কে ভুয়া তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয় এবং বিচারকের আদেশে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

এই ঘটনার পর বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার খুলনা সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা দুজনই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য; এমন আচরণ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। মানবাধিকার সংস্থা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সকল ধরনের আইনি ও নৈতিক সহায়তা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo