1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
৫৭,৬৯৯ বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন; হজকালীন ও পরে মৃত্যু ৫২ মিয়ানমার ২ লাখ ৮৩ হাজার ৮৬ রোহিঙ্গাকে ‘পূর্বে বসবাসকারী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংখ্যালঘু নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান পূজা উদযাপন ফ্রন্ট; সাত দফা দাবি প্রধানমন্ত্রী: জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কেউ গণতন্ত্র নষ্ট করতে পারবে না নিউমার্কেট ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় জামিন পেলেন অধ্যাপক আবুল বারকাত প্রতিশোধের মানসিকতা ত্যাগ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউমার্কেট হত্যা মামলায় জামিন পেলেন আবুল বারকাত লালমনিরহাটে নিখোঁজ শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার: জনতা–পুলিশ সংঘর্ষে এসপি-সহ ২০ আহত লন্ডনে হাসনাত আবদুল্লাহর সভা ঘিরে উত্তেজনা: ডিম নিক্ষেপ, ৩ জন আটক প্রতিমন্ত্রী: যশোর পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে হবে

খুলনায় সোনাডাঙ্গার পুলিশ দম্পত্তির বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকায় পুলিশের এক দম্পত্তির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী গতকাল বুধবার সকালে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতেই এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর নাম মিলন; তিনি নরসিংদীর একজন বাবা-মা–হীন (এসময়ের) মেয়ে। মিলন ছোটবেলা থেকেই ওই বাড়ির গৃহকর্মীর কাজ করে আসছিলেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, বাড়ির রান্নাঘরের কুমড়ার তরকারি পুড়ে যাওয়ার জন্য সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী পপি মিত্র মিলনকে মারধর করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাড়ির বারান্দায় মিলনকে একাধিকবার কান ধরে তুলতে বাধ্য করা হয় এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। ঘটনাটি দেখতে এসে এক সংবাদকর্মী ও তিনজন সামাজিক সংগঠনের নারী নেত্রী বাড়ির ভিতরে ঢুকতে গেলে প্রথমে বাধা দেয়া হয়। পরে তারা ৯৯৯ নম্বরে কল করে কৌশলে ঘরের ভেতরে ঢুকে মিলনকে উদ্ধার করেন।

মিলনের শরীরে গরম খুঁঁটি ও কড়াই দিয়ে দাগ হওয়ার মতো আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। একই পরিবারে আগে ও অন্যান্য সময়েও মিলনকে নির্যাতন করা হয়েছে বলে এলাকার মানুষজন অভিযোগ করছেন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী অভিযুক্ত দম্পত্তির পরিচয় সোনাডাঙ্গা থানার এসআই সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী পপি মিত্র হিসেবে জানানো হয়েছে; উভয়েই সোনাডাঙ্গা থানায় কর্মরত।

সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্ত শেষে দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

স্থানীয় সমাজকর্মী ও নেত্রীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo