1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

রামিসা হত্যায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হাইকোর্টে জেল-আপিল

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-পল্লবীতে সাত বছর বয়সী রামিসাকে ধর্ষণ করে নৃশংসভাবে হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার হাইকোর্টে জেল-আপিল করেছেন।

রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে আপিল দুটি গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে এই মামলার রায় ও ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছিল। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন ৭ জুন রায় ঘোষণা করে দু’জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ে বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার অধীনে আসামিদের গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে এবং ৩৭৪ ধারার সাপেক্ষে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই দণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সিদ্ধ হয় যে, সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার এই অর্থ রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের দেয়ার নির্দেশ আছে; যদি জরিমানা পরিশোধ না করা হয় তবে কালেক্টরেট অফিসকে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রি করে বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান মোতাবেক রায় ঘোষণার তারিখ থেকে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগের কাছে আপিল করতে পারবেন।

ঘটনার সময়কালের সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় গত ১৯ মে। হত্যার পর কক্ষে থাকা জানালার গ্রিল কেটে প্রথম আসামি সোহেল পালিয়ে যায়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। এরপর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। ২১ মে মামলায় সোহেল ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং এরপর দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমে বলা হয়েছে, ২৫ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শকঃ অহিদুজ্জামান চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরুর পর ২ জুন এক দিনে ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়। ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার মাত্র ১৯ দিন পর এই বিচারের সিদ্ধান্ত আসে। রামিসার পরিবার পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকার ভাড়াপ্রাপ্ত ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন; রামিসার বাবা বনানীর একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করতেন। আসামিরা একই ভবনের অন্য ফ্ল্যাটে থাকতেন। বলাই যায়, ক্ষুদ্রশিক্ষার্থী রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলো।

হাইকোর্টে থাকা জেল-আপিল গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানি শেষে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নির্ধারিত হবে। মামলার পরবর্তী আপডেট আসলে তা সর্বপ্রথম জানানো হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo