1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
যশোরসহ চার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হবে জলবায়ু রোধে ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-খাল খনন ও পুনঃখনন করবে সরকার যশোরসহ চার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হবে সরকার ঘোষণা: ৫ বছরে ২০ হাজার কিমি নদী-খাল খনন ও পুনঃখনন শপিংমল ও দোকানপাট রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার নতুন সিদ্ধান্ত বাজেটে বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে উৎসে কর কমানোর প্রস্তাব আদালত নির্দেশ দিয়েছেন: সালমান শাহের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হবে ৩০ বছর পর: সালমান শাহের লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ বৃক্ষরোপণকে ‘সবুজ বিপ্লব’ে রূপান্তর করতে হবে: ডা. জুবাইদা রহমান মানবতাবিরোধী মামলায় হানিফসহ চারজনের রায় যেকোনাে দিন ঘোষণা হতে পারে

প্রস্তাবিত бюджেটে বেসরকারি কর্মীদের অবসরে ৩০% গ্র্যাচিউটি

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

প্রস্তাবিত বাজেটে বেসরকারি খাতে কর্মরতদের জন্য সর্বজনীন পেনশন ফান্ডের আওতায় অবসর গ্রহণের সময় মোট সম্পদের ৩০ শতাংশ এককালীন গ্র্যাচিউটি দেবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এটি সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী তুলে ধরেন।

অর্থমন্ত্রী সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দিয়েছেন। তুলনায় সংশোধিত বাজেটে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা।

আগের সরকারের সময় বড়ো আকারে চালু করা এই সর্বজনীন পেনশন স্কিমের চারটি শাখায় ৩০ মে পর্যন্ত মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯৩০ জন নিবন্ধন করেছেন। তহবিলে এখন পর্যন্ত মোট জমা পড়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৬০ কোটি টাকা এবং মোট বিনিয়োগ হয়েছে ২৮৬ কোটি টাকার কাছাকাছি।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সুরাতুজ্জামান ৩ জুন এক পর্যালোচনা সভায় বলেন, বাংলাদেশে বেসরকারি খাতের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ নিবন্ধিত শ্রমিক-কর্মীর বড় অংশ অবসর-পরবর্তী আর্থিক সুরক্ষার আওতায় নেই। সরকারি চাকরিজীবীরা সরকারি পেনশনের আওতায় থাকলেও বেসরকারি খাতে এমন প্রাতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা নেই।

তিনি আরও জানান, ২০২৩ সালে চালু হওয়া সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার অধীনে বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ‘প্রগতি’ স্কিমটি একটি কার্যকর ও টেকসই সমাধান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্কিমটিকে আরও আকর্ষণীয় করতে শরিয়াহভিত্তিক পেনশন চালু করা, নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন নিশ্চিত করা এবং প্রগতি স্কিমে আউটসোর্সিং কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব সভায় রাখা হয়েছে।

প্রগতি স্কিমের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হিসেবে কর্তৃপক্ষ সভায় যে বিষয়গুলো উল্লিখেছে, সেগুলো হল—

– স্কিমটি বিশেষভাবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মীদের জন্য প্রণীত।

– প্রতিষ্ঠানভিত্তিক যোগদানের ক্ষেত্রে সমষ্টিগত (চাঁদা) যোগান দেয়া হবে; এতে কর্মী ও প্রতিষ্ঠান দুজন মিলিয়ে চাঁদার ৫০-৫০ ভাগ 부담 করবে।

– মাসিক চাঁদার পরিমান থাকবে ১,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত।

– অবসরের পর আজীবন মাসিক পেনশন সুবিধা প্রদান করা হবে।

– মাসিক চাঁদায় আয়কর রেয়াত থাকবে এবং প্রাপ্ত পেনশন করমুক্ত ধরা হবে।

– পেনশনারদের ৬০ বছর পূর্তির পর কর্পাসের সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ এককালীন গ্র্যাচিউটি হিসেবে দেয়া যাবে।

– বিনিয়োগগুলো রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত থাকবে।

সরকারি নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট জাতীয় পর্যায়ে সব শ্রেণীর মানুষের শেষ বয়সে আর্থিক নিরাপত্তার লক্ষ্যে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের জন্য অর্থ সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছিল। এরপর ৫ আগস্ট সরকারের পরিবর্তনের পরে স্কিমটি নিয়ে জনমনে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে অন্তর্বর্তী সরকারের সবুজ সংকেতের পরে পেনশন কর্তৃপক্ষ কাজ চালিয়ে গেলেও জনগণের আকর্ষণ কমে যায়।

শুরুতেই ‘প্রবাস’, ‘প্রগতি’, ‘সুরক্ষা’ ও ‘সমতা’ নামে চারটি স্কিম চালু করা হয়েছিল। পরে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্য ‘প্রত্যয়’ নামে একটি প্যাকেজ চালুর চেষ্টা করা হলেও অংশীজনদের বিরোধিতার ফলে সেটি চালু করা যায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo