1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

সোনাডাঙ্গা সোলার পার্ক ১৪ বছর নিষ্ক্রিয়, সচল করার দাবি

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

খুলনার সোনাডাঙ্গা সোলার পার্ক দীর্ঘ আড়াইশত ছোটো বছরে—আসল কথাটা: ১৪ বছর—নিষ্ক্রিয় পড়ে আছে। পরিবেশবাদী সংগঠন প্রতিবেশ ও উন্নয়ন ফোরাম-ফেড বলছে, মাত্র ১০–১২ লাখ টাকা খরচ করে সামান্য সংস্কার করলে এই পরিবেশ বান্ধব ২০ কিলোওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আবার চলমান করা যাবে। তথ্যটি বুধবার খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীর বালু মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংগঠনের আহ্বায়ক আনোয়ারুল কাদির লিখিত বক্তব্যে বলেন, বৈশ্বিক যুদ্ধবিগ্রহ ও ভূরাজনীতির কারণে তেলের বাজার অস্থির হলে আমাদের দেশের বিদ্যুৎ ও পণ্যের মূল্যেও প্রতিকূল প্রভাব পড়েছে। এসব পরিস্থিতি দেখিয়েছে নবায়নযোগ্য জ্বালানিই বিদ্যুৎখাতে স্বয়ম্ভরতা অর্জনের একমাত্র বিকল্প। তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে ২০০৮ সালে ৪.৩৩ একর জমির ওপর নির্মিত দেশের অন্যতম এই সোলার পার্কটিতে কারিগরি ত্রুটি ও যন্ত্রাংশ চুরির কারণে ২০১২ সাল থেকে কার্যত পুরোপুরি বন্ধ পড়ে আছে।

সংবাদ সম্মেলনে পার্কটি টেকসইভাবে আধুনিকায়নের একটি স্পষ্ট কারিগরি ও আর্থিক পরিকল্পনা পেশ করা হয়। ফেডের পরিকল্পনা অনুযায়ী পার্কের অব্যবহৃত ছাদ ব্যবহার এবং পার্কের পুকুরের ৩০ শতাংশ জায়গায় ভাসমান সৌর প্যানেল স্থাপন করে মোট ৩৩৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব—ছাদে ৪৫ কিলোওয়াট এবং পুকুরে ২৯০ কিলোওয়াট ভাসমান প্যানেল বসানো হবে।

অর্থনৈতিক হিসাব অনুযায়ী নতুন প্যানেল ও সংস্কারের মোট বিনিয়োগ আনুমানিক ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। এই বিনিয়োগ করলে বছরে প্রায় ৪৬ লাখ টাকার সমমানের বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। ওপেক্স মডেলের আওতায় বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পার্কটি পরিচালিত হলে খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে পুরো বিনিয়োগ ফেরত পাবে এবং পরবর্তী প্রায় পনেরো বছর বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারবে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি আলোচিত সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি সরকারি বিভিন্ন অধিদপ্তরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পুনরায় চালু করে দক্ষ জনবল তৈরি ও কেসিসির আয় বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ফেড খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোলার সিস্টেম বাস্তবায়নকে সফল উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছে এবং কেসিসি ও কেডিএর দৃষ্টি আকর্ষণ করে নতুন ভবনে ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনে কেডিএকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানায়। সংগঠনটি খুলনাকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক একটি নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে অবিলম্বে পার্কটি সচল করার মতো ছয় দফা দাবিও জমা দিয়েছে।

ফেডের অনুরোধ—ছোটখাটো সংস্কারেই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দ্রুত সচল করা এবং দীর্ঘমেয়াদি আধুনিকায়নের জন্য দ্রুত পরিকল্পনা গ্রহণ করা—এতে কোর্ত্তৃপক্ষই যদি এগিয়ে আসে, তবে সোনাডাঙ্গার এই অব্যবহৃত সোলার পার্ক দ্রুত খোলাসহ স্থানীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও প্রশিক্ষণ কর্মকাণ্ডকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo