1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

রাহুল গান্ধীর আহ্বান: ভারত ও সংবিধান রক্ষায় ঐক্য জরুরি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

দেশের স্বার্থ ও সংবিধান রক্ষার্থে সবাইকে একজোট হয়ে লড়াই করার ডাক দিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। সোমবার (৮ জুন) নয়াদিল্লিতে হওয়া ওই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি সতর্ক করে জানান, পারস্পরিক বিভেদ রাখলে জোটের মূল লক্ষ্য ব্যাহত হবে এবং প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপিকে হারানো কঠিন হয়ে উঠবে।

প্রায় ১৫ মিনিটের বক্তব্যে রাহুল গান্ধী জোটের কিছু শরিক দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ভোট চুরি’-র মতো সংবেদনশীল ইস্যুতে প্রত্যাশিত সমর্থন না পাওয়ায় মর্মাহত হয়েছেন। একই সঙ্গে যারা জোটে থাকা সত্ত্বেও নিয়মিতভাবে কংগ্রেসকে সমালোচনা করে যাচ্ছেন, তাদেরকেও কঠোর ভঙ্গিমায় তির ছুড়েছেন তিনি। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, এই সমালোচনার কেন্দ্রস্থলে ছিল তৃণমূল কংগ্রেস ও বামপন্থী দলগুলোর কিছু আচরণ।

বৈঠকে ভোটার তালিকা জালিয়াতি ও বিশেষ নিবিড় সংশোধন (‘এসআইআর’) প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতা নিয়ে জোটের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য গড়ে উঠেছে। জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা ভারতের প্রধান বিচারপতির কাছে একটি যৌথ স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা খুব শিগগিরি হস্তান্তর করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

রাহুল গান্ধী যুক্তি দেখান যে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল থেকেই প্রমাণ মেলে যে বিজেপিকে পরাজিত করা অসম্ভব নয়, তাই অভ্যন্তরীণ কোন্দল মিটিয়ে শক্তি বাড়াতে হবে। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি স্মরণ করান, ২০১৯ সালের ৩০৩ আসনের থেকে ২০২৪ সালে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়ে ২৪০ আসনে সীমাবদ্ধ থাকে; আর কংগ্রেস ২০১৯ সালের ৫২ আসন থেকে বেড়ে ৯৯ আসনে পৌঁছে।

লোকসভায় বিরোধী শক্তির সাম্প্রতিক ঐক্যের বড় প্রমাণ হিসেবে রাহুল পাল্লা দেন সরকারী সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিলটি একত্রে প্রতিহত করার ঘটনাকে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ১৭ এপ্রিল লোকসভায় ওই বিল প্রতিহত করার ঘটনাকে জোটের একতার অনন্য নজির হিসেবে উল্লেখ করেন।

বৈঠকটি চার রাজ্যের সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর আয়োজিত হয়—যেখানে আসাম ও বাংলা-এ বিজেপি সরকার গঠন করেছে, কেরালায় কংগ্রেস জয়ী হয়েছে এবং তামিলনাড়ুতে বড় সাফল্য এসেছে। এসব ফলাফলকে সামনে রেখে রাহুল ও অন্যান্য নেতারা জোটের ঐক্য আরও গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করেন।

ভবিষ্যৎ কার্যক্রম হিসেবে জোট সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা এখন থেকে প্রতি দুই মাস পরপর বৈঠক করবে। পরবর্তী বৈঠকটি আগামী আগস্টে হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo