1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে শিক্ষামন্ত্রী: সারাদেশে একযোগে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে বোর্ড পরীক্ষা হবে সাবেক ডিবি এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অতিরিক্ত শুল্ক প্রস্তাব

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

জবরদস্তি শ্রমের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ থাকার অভিযোগ এনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশ ও অঞ্চলের পণ্যের উপর যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করেছে। মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) মঙ্গলবার (২ জুন) এই প্রস্তাবনাটি ঘোষণা করে; বিষয়টি মূলত রয়টার্সের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, ‘সেকশন ৩০১’ অনুসন্ধানের ফলাফলে দেখা গেছে যে প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার দেশগুলো জবরদস্তিমূলক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্যের বাণিজ্য ঠেকাতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিচ্ছে না, যা যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমিকদের জন্য অসৎ প্রতিবেশ সৃষ্টি করছে। এই তদন্তের প্রসঙ্গে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কণ্ঠে বলা হয়েছে, অংশীদার দেশগুলো জবরদস্তিমূলক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি বন্ধে যথাযথ পদক্ষেপ না নেওয়া অগ্রহণযোগ্য।

প্রস্তাবিত কাঠামো অনুযায়ী, যেসব দেশের বিরুদ্ধে জবরদস্তিমূলক শ্রমবিরোধী আংশিক নিষেধাজ্ঞা বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য ব্যবস্থা রয়েছে তাদের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। এই তালিকায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই কারণে ভারত, চীন, জাপান, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডও ১০ শতাংশ শুল্কের মুখে পড়তে পারে। আর যেগুলো দেশের বিরুদ্ধে এসব ব্যবস্থা নেই তাদের ক্ষেত্রে শুল্কের হার ১২.৫ শতাংশ পর্যন্ত ধাক্কা খেতে পারে।

বাণিজ্য প্রতিনিধি অফিস একটি বিশেষ ‘টেক্সটাইল মেকানিজম’ও প্রস্তাব করেছে, যার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পোশাক ও টেক্সটাইল পণ্য কম শুল্কে মার্কিন বাজারে প্রবেশ করতে পারবে। তবে ওই কোটা ও যোগ্যতার শর্তাবলি এখনো চূড়ায় নেই — বিস্তারিত পরে নির্ধারণ করা হবে।

এটি এখনই কার্যকর হবে না। ইউএসটিআর জানিয়েছে, ৬ জুলাই পর্যন্ত এই প্রস্তাবের ওপর জনসাধারণের লিখিত মতামত নেয়া হবে এবং ৭ জুলাই থেকে গণশুনানির মাধ্যমে আরও তথ্য গ্রহন করা হবে। শুনানি ও মন্তব্য সংগ্রহের পরই চূড়ান্ত শুল্ক হার এবং কার্যকর হওয়ার তারিখ ঘোষণা করা হবে।

প্রেক্ষাপট হিসেবে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের জরুরি শুল্ক সংক্রান্ত একটি সিদ্ধান্ত বাতিল করায় প্রশাসন এখন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এসব শুল্ক পুনর্বহাল করার চেষ্টা করছে। এ পদক্ষেপকে ট্রাম্প প্রশাসনের সেই বিস্তৃত নীতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার লক্ষ্য অস্থায়ী শুল্কের বদলে দেশভিত্তিক স্থায়ী শুল্ক ব্যবস্থা চালু করা।

বাংলাদেশের মতো রপ্তানিমুখী অর্থনীতির জন্য এই প্রস্তাবিত শুল্কের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষত তৈরি পোশাক খাতকে কম খরচে মার্কিন বাজারে প্রবেশ করানো জটিল হলে রপ্তানি, কর্মসংস্থান ও মূল্যপ্রতিযোগিতায় চাপ পড়তে পারে। ট্রেড প্রতিনিধির অফিসে মতামত জানানো ও গণশুনানিতে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ী ও নীতি নির্ধারকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে যাতে টেক্সটাইল মেকানিজমের মতো রক্ষাকবচের সুযোগ নথিভুক্ত করা যায়।

এদিকে, প্রস্তাবিত শুল্ক, কোটা ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সম্পর্কে হলো বিস্তারিত ঘোষণা শোনার জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের প্রশাসন, রফতানিকারক সংগঠন এবং ব্যবসায়ীরা মনোযোগ রাখতে বলেছে বিশ্লেষকরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo