1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বুধবার নতুন বিদ্যুতের ট্যারিফ ঘোষণা, ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২.০৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ার প্রস্তাব মা-বাবা ও স্ত্রীর কবরপাশে চিরশান্তিতে শায়িত হলেন তোফায়েল আহমেদ নম্বরপ্লেট ঢেকে ‘এআই ফাঁকি’ দেওয়ার অভিযোগে লাবলু হক গ্রেফতার শিক্ষামন্ত্রী: ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার সূচি পুনর্বিবেচনা হতে পারে শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ মশক নিধন শিখতে ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাড়ে দাঁড়ান: প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মিঠাপুকুরে মদপানে ৩ জনের মৃত্যু, একজন রংপুর মেডিকেলে ভর্তি শারীরিক অসুস্থতা জানিয়ে পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান গোপালগঞ্জে ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ ১৯ বছরের নারী গ্রেফতার

তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৮ কোটি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬

আবারও বাড়লো ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের পরিমাণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ৩১ হাজার ৪৮৮ কোটি টাকা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ডিসেম্বরে ব্যাংকখাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি টাকা। মার্চের শেষ পর্যায়ে সেটি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকায়। অর্থাৎ ত্রৈমাসিকে খেলাপি ঋণই বাড়ল এই পরিমাণে। একই সময়ে খেলাপি ঋণের হারও বাড়েছে—গত তিন মাসে এটি ১.৬৬ শতাংশপয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বরে খেলাপি হার ছিল ৩০.৬ শতাংশ।

ঋণের সরবরাহও বেড়েছে। মার্চে মোট বিতরণকৃত ঋণ বেড়ে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা হয়ে দাঁড়িয়েছে, ফলে মোট ঋণের পরিমাণ এখন ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মার্চে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ইতিহাসের সর্বনিম্ন রেকর্ড করলেও, মূলত সুদবৃদ্ধির প্রভাবে মোট ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে নীতি সহায়তার মাধ্যমে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনের সুযোগ দিয়ে আসছে। এ ধারাবাহিকতায় অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের দায়কিছু অংশ পুনঃতফসিল করেছেন। তাছাড়া ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু প্রার্থীও নির্বাচনের আগেই ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, খেলাপি ঋণ আদায় প্রত্যাশিত হারে হচ্ছে না। তিনি বলেন, মূলত আদায় কম হওয়ায় এবং খেলাপি ঋণের উপর সুদ যোগ হওয়ায় পরিমাণ বাড়ছে। নীতি সহায়তার আওতায় যারা ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন তাদের দুই বছরের গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ওই সময়ে ততটা আদায় হচ্ছে না। দুই বছর শেষ হলে আদায়ের গতি ও পরিমাণ বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেন যে নির্বাচনের আগে যারা ঋণ রিশিডিউল করেছেন, তারা অনেক ক্ষেত্রেই মাত্র ২ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট দিয়েছেন।

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায় দেশের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ ছিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে—তখন মোট ঋণের প্রায় ৩৬ শতাংশই খেলাপি ছিল, যা টাকায় প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি। এরপর বিশেষ নীতি সহায়তার হাত ধরেই বেশ কিছু বড় অঙ্কের ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠন করে ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ কিছুটা কমিয়ে ৫ লাখ ৫৭ هزار ২১৬ কোটি টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছিল। কিন্তু মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে তা আবার বাড়তে দেখা গেল।

ব্যাংকিং খাত ও অর্থনীতি পর্যবেক্ষকরা বলছেন, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পাশাপাশি আদায়যোগ্যতার দিকে নজর দেওয়া এবং তদারকি জোরদার করা জরুরি। নীতিগত সহায়তা প্রদান করেও যদি আদায়-ব্যবস্থাপনা দুর্বল থাকে, তাহলেও খেলাপি পরিমাণ শিগগিরই কমবে না।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo