1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

খুলনায় ভাড়া বাসা থেকে দুই নাতি ও নানীর মরদেহ উদ্ধার

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

খুলনার সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে শনিবার (৩০ মে) দুপুর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে দুই নাতি ও তাদের নানীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দারুল আমান মহল্লার শরিফুল ইসলাম নামে ব্যক্তির ভাড়া বাসার তালা ভেঙে ভেতর থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।

নিহতরা হলেন বেবী বেগম (৫৫), মুস্তাকিম (৪) ও শামীম (১৩)। তাদের মা ফাতেমা বেগম (পরিচিত নাম মেরি) এই ঘটনা পুলিশের কাছে নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ বলছে, গতকাল শুক্রবার (২৯ মে) থেকে তিনেই নিখোঁজ ছিলেন।

পরিবার ও প্রতিবেশীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার থেকে ফাতেমার মা বেবী বেগম ও তার দুই নাতি ঘরে ছিলেন না। ভাড়া থাকা ঘরটি তালাবদ্ধ থাকায় প্রতিবেশীরা সন্দিহান হয়ে পুলিশকে খবর দেয়। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে পুলিশ তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে খাটের নিচ থেকে বেবী বেগমের, ট্রাঙ্ক থেকে শামীমের এবং ওয়্যারড্রোব থেকে মুস্তাকিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা—মামলার সঙ্গে ফাতেমার দ্বিতীয় স্বামী ট্রাক ড্রাইভার রফিকুল জড়িত থাকতে পারে। এ ঘটনায় ফাতেমা বেগমকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে এবং তার দেয়া তথ্য অনুসারে রফিকুলকে সন্দেহ করা হচ্ছে। রফিকুল খুলনা নগরীর মহেশ্বরপাশা এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে; আলমগীরকে গ্রেপ্তার করতে অভিযানে পুলিশ তৎপর।

খবর পেয়ে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও সিআইডির একটি বিশেষ টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং ক্রাইম সিন থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। তিন জনের সুরতহাল শেষে তাদের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া হচ্ছে।

পুলিশ কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই ঘটনার তদন্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ চলছে এবং দ্রুত ঘটনার কারণ ও দায়ীদের খুঁজে বের করা হবে। সম্প্রতিকালীন পারিবারিক বিবরণে জানা গেছে, ফাতেমা বেগমের প্রথম স্বামী মাসুম বেপারীর সঙ্গে তাদের ডিভোর্সের পর শামীম ও মুস্তাকিম তাদের মায়ের সঙ্গে থাকতেন। পরে ফাতেমা রফিকুলের সঙ্গে বিয়ে করেন এবং রফিকুল প্রায়ই তার শ্বশুরবাড়ি তথা ফাতেমার মায়ের বাড়িতে আসা-যাওয়া করতেন।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তকরণ এবং পুরো ঘটনার পরিদৃশ্য স্পষ্ট করতে তদন্ত দল যথাসম্ভব দ্রুত এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ পদক্ষেপ করছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo