1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দেশ গড়তে প্রত্যেকের সচেতনতা জরুরি: তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি: শহীদ জিয়ার আদর্শ নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা ভারতীয় হাইকমিশন স্মরণ করলো জিয়াউর রহমানের একাত্তরের বেতার ভাষণ রাষ্ট্রপতি: শহীদ জিয়ার আদর্শ নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ, বিএনপি ঘোষণা বিশেষ কর্মসূচি ঐক্যহীনতার কারণে সবাই ওয়েজ বোর্ডে ন্যায্য বেতন পাচ্ছেন না: মির্জা ফখরুল ঈদে সড়ক-রেল দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত, মোটরসাইকেল আরোহী ১১ বায়তুল মোকাররমে হাজারো মুসল্লির উপস্থিতিতে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত বায়তুল মোকাররমে ঈদুল আজহার প্রথম জামাত সম্পন্ন সরকার দেশকে উন্নত অবস্থায় নিয়ে যেতে কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি: শহীদ জিয়ার আদর্শ নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। বাণীতে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, সততা ও স্বনির্ভরতার ভাবনা নতুন প্রজন্মের জন্য চিরন্তন অনুপ্রেরণার উৎস হবে।

রাষ্ট্রপতি স্মরণ করেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে নাশকতা ও ষড়যন্ত্রের বলিতে তিনি শহীদ হন। তিনি শহীদ জিয়াকে স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সেনানায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথপ্রদর্শক এবং আধুনিক বাংলাদেশের এক স্থপতি হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়ে যে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তা দিশাহীন জাতিকে আলোর পথ দেখানোর মতো ছিল এবং সাধারণ মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করেছিল।

যুদ্ধক্ষেত্রে অসামান্য বীরত্বের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত হন—এমনটি বাণীতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নৈরাজ্যের মধ্যে দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি দেশের যে পুনর্গঠন ও রূপান্তর আনার চেষ্টা করেছিলেন, তাও রাষ্ট্রপতি তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাক-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিতের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে শক্তিশালী করেন। তিনি ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে বাংলাদেশিদের জাতীয়তাবাদের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন।

পল্লী ও কৃষি উন্নয়নকে কেন্দ্র করে কৃষি সম্প্রসারণ, খাল খনন, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, গ্রামীণ উন্নয়ন, পরিবার পরিকল্পনা ও গণশিক্ষাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রাহ্য করে জনগণকে উন্নয়নের মূলধারায় আনারও কথাও বাণীতে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি জোর দিয়ে বলেন, জিয়ার ঘোষিত ১৯ দফা কর্মসূচি ছিল একটি উৎপাদনভিত্তিক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের রূপরেখা।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে তার ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি, মুসলিম বিশ্ব, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, চীন ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক গড়ার প্রচেষ্টা এবং মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি শ্রমবাজারের প্রসার ঘটানোর কৃতিত্বও রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন।

বেণীর শেষাংশে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ জিয়ার সাদাসিধে ও নির্মোহ জীবন, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্ব ও অকুণ্ঠ সততা জনগণের মনে চিরকাল জীবন্ত থাকবে। তিনি মহান আল্লাহর কাছে শহীদ রাষ্ট্রপতির মাগফিরাত কামনা করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসে উচ্চ মাকাম দানের জন্য বিশেষ দোয়া করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo