1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

খুলনার জোড়াগেট পশুর হাট থেকে কেসিসির আয় ২ কোটি ১৫ লাখ ৪৪ হাজার ২৩২ টাকা

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

খুলনার জোড়াগেট পশুর হাট শেষ হয়েছে, তবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কেনাবেচা ধীরগতিতে হয়নি—বিক্রি ছিল ততটাই সমৃদ্ধ। খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) পরিচালিত হাট থেকে এবছর মোট 6,880টি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে এবং এর থেকে কেসিসির ঝুলিতে জমা পড়েছে 2 কোটি 15 lakh 44 হাজার 232 টাকা।

কেসিসির কন্ট্রোল রুমের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিক্রি হওয়া পশুর মধ্যে গরু 4,433টি, ছাগল 2,270টি, ভেড়া 176টি এবং মহিষ 1টি। পশুপালন ও বাণিজ্য থেকে প্রাপ্ত এই আয় কেসিসির তহবিলে ৪ শতাংশ খাজনা হিসেবে গিয়েছে।

সংখ্যার দিক থেকে এবারের হাট গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে—গত বছর হাটে মোট 6,651টি পশু বিক্রি হয়েছিল। তৎকালীন বিক্রির মধ্যে ছিল গরু 4,383টি, ছাগল 2,162টি, ভেড়া 103টি ও মহিষ 3টি। তৎকালীন কেসিসির আয় ছিল 2 কোটি 7 লাখ 9 হাজার 602 টাকা।

কেসিসির আইটি ম্যানেজার শেখ হাসান হাসিবুর হক জানিয়েছেন, এবারের আয় ও পশুর সংখ্যা সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্যই কন্ট্রোল রুম থেকে নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘‘জোড়াগেট হাটে মোট 6,880টি পশু বিক্রি হয়েছে, যার ফলে 2 কোটি 15 লাখ 44 হাজার 232 টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে।’’

হাসিবুর জানান, যদিও এবারের পশু বিক্রির সংখ্যা গত বছরের তুলনায় বেড়েছে, তবে রাজস্বে কিছুটা পরিবর্তন দেখা গেছে—এর পেছনে মূল কারণ হচ্ছে হাসিলের হার ও ব্যবস্থা পুনর্নির্ধারণ। ফলে বিক্রির সংখ্যা বাড়লেও রাজস্বে অনুপাতগত তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে।

হাট পরিচালনা ও কর আদায় নিয়ন্ত্রণে কেসিসি এবছরও কড়া মানদণ্ড বজায় রেখেছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ডিজিটাল লেনদেনকে উৎসাহিত করতে হাটে প্রশাসনিক তৎপরতা ছিল বহাল।

সিটি করপোরেশনের সুপারিনটেনডেন্ট ট্যাক্সেশন (বাজার) ও হাট পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব শেখ শফিকুল হাসান দিদার বলেন, ‘‘হাটে কেনাবেচা সাধারণত ঈদের আগের দুই দিন এবং ঈদের সকাল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি থাকে। এবছরও একই প্রবণতা দেখা গেছে এবং ৪ শতাংশ হার অনুসারে আয় নেওয়া হয়েছে।’’

উল্লেখ্য, ২১ মে জোড়াগেট পশুর হাটের উদ্বোধন করেছিলেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। খুলনা সিটি কর্পোরেশন ২০০৯ সাল থেকে প্রতিবার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ঈদের আগে সপ্তাহজুড়ে এই ঐতিহ্যবাহী হাটের আয়োজন করে আসছে।

এই হাটকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ব্যবসা ও কিট-পরিষেবাসহ বহু মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়; পাশাপাশি নিরাপত্তা ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করতে কর্পোরেশন বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়। এবারের হাটেও কাঁচামাল সরবরাহ, পশুপরিচর্যা এবং লোনামিছ্রে দোকানপাটসহ সব কিছুতে স্বাভাবিক ক্রম বজায় রাখতে কাজ করা হয়েছে।

সার্বিকভাবে, জোড়াগেট হাটে বিক্রি ও রাজস্ব সংগ্রহ কেসিসির জন্য সন্তোষজনক অবস্থানে থাকলেও প্রশাসনিক সংশোধন ও হার পুনর্নির্ধারণের ফলে কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন দেখা গেছে—যা আগামী বছর আরও উন্নত পরিকল্পনার মাধ্যমে আরও সুফল বয়ে আনতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo