দেশজুড়ে ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন মানুষ। রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, ঢাকা, টাঙ্গাইল, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, যশোর, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর—এই ১১ জেলায় বর্তমানে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, এখন বর্ষা আগমনের আগের সময়। এ বছর মৌসুমি বায়ু কিছুটা আগে প্রবেশ করতে পারে। সাধারণত মৌসুমি বায়ু দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশের আগে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়; ফলে বাতাস ভারী ও আর্দ্র লাগে এবং গরম আরও অস্বস্তিকর মনে হয়।
তিনি আরও জানান, বঙ্গোপসাগর থেকে উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস দেশের ভেতরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে আর্দ্রতার মাত্রা বেড়ে যায়, ফলে ঘাম বেশি হয় এবং ভ্যাপসা গরমের তীব্রতা বাড়ে। যদি লাগাতার বৃষ্টি না পড়ে, এই ভ্যাপসা গরম থেকে অব্যাহত মুক্তি মেলা কঠিন। সাময়িক বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি দিলেও বৃষ্টিহীন কিছুক্ষণ পর গরম আবার আগের মতোই অনুভূত হবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেটের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বা দেড়-ভারী বর্ষণও দেখা যেতে পারে।
এই অবস্থার কারণে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে; তবে স্থায়ী স্বস্তির জন্য চেয়ারম্যান মতো অবিরাম বৃষ্টির প্রয়োজন থাকবে।