1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
আনোয়ারায় জাহাজে সহকর্মীর ছুরিকাঘাতে থাইল্যান্ডের নাবিক নিহত তথ্যমন্ত্রী: জুলাই–আগস্টের মধ্যে গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন করা হবে হাম প্রাদুর্ভাব রোধে ব্যর্থতার তদন্তে ইনকোয়ারি কমিশন কেন হবে না: হাইকোর্টের রুল জুলাই–আগস্টে গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন হবে: তথ্যমন্ত্রী জুলাই–আগস্টের মধ্যে গণমাধ্যম নীতিমালা ও কমিশন গঠন হবে: তথ্যমন্ত্রী র‍্যাব বদলে যাচ্ছে, নামও বদলাতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা নোয়াব ঘোষণা: ঈদুল আজহায় সংবাদপত্রে পাঁচ দিনের ছুটি মিটিং শেষে পাটওয়ারী গালিগালাজ করলেও আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি মিটিং শেষেই গালাগালি করেছেন পাটওয়ারী, তবুও আমি ক্ষুব্ধ নই: সিইসি জিলহজের চাঁদ দেখা গেছে; ঈদুল আজহা ২৮ মে

পেশোয়ারের রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের পৈতৃক বাড়ি ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬

বলিউডের দুই দিগ్గজ—রাজ কাপুর ও দিলীপ কুমারের পৈতৃক নিবাস পাকিস্তানের পেশোয়ারে রয়েছে। তথ্যে বলা হয়, যদিও দুজনেই আর নেই, তাদের সেই বাড়ি দুটিই আজ জर्जর অবস্থা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, গত ৪–৫ বছরে সরকার থেকে ওই বাড়িগুলোর কোন রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ জানায় ঝড়ঝাপটা ও বর্ষণে বাড়ি দুটির কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে; অনেক অংশ জিরজিরে ও নড়বড়ে। সম্প্রতি ভূমিকম্পের লঘু রকমের ঝাঁকুনিও পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে দিয়েছে।

স্থানীয়দের সতর্কতা অনুযায়ী, যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, কয়েকদিনের মধ্যেই এই ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো মাটিতে মিশে যেতে পারে। ২০১৬ সালে পাকিস্তান সরকার এই বাড়ি দুটিকে ‘জাতীয় ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। এরপর দুই দফায় অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল—২০২১-২২ সালে বাড়ি কিনতে ২.৩৫ কোটি পাকিস্তানি রুপি বরাদ্দ করা হয়, এবং ২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রাদেশিক সরকার ঐতিহাসিক ভবনগুলোর পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের জন্য ৩৩.৮ মিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি অনুমোদন করে।

তারপরও বরাদ্দ অর্থ হাতে না আসায় প্রকৃত সংস্কার কাজ শুরু হয়নি—সরকার সূত্রে এমনই কারণ দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগও কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারেনি। অযত্ন, ঝড়-বৃষ্টি, ঘাসপালা-আগাছা ও জমে থাকা আবর্জনার কারণে ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে বাড়িগুলো।

রাজ কাপুরের বাড়িটি পেশোয়ারের খাওয়ানি বাজারে; এটিকে ১৯১৮ সালে তাঁর পিতামহ দেওয়ান বিশ্বেশ্বরনাথ কপূর নির্মাণ করেছিলেন এবং রাজ কাপুরের জন্মও সেখানে। দিলীপ কুমারের বাড়িটি মহল্লা খুদাদাতে, ‘পেশোয়ারি’ রীতিতে নির্মিত—একসময় সুপরিচিত ও সরগরম অঞ্চলে আজ উভয় বাড়িই নংকড়ে পড়ার অপেক্ষায়।

স্থানীয়রা সরকারের তৎপরতা কামনা করছেন, নয়ত দক্ষিণ এশিয়ার শোভাবিহীন এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য দ্রুত হারিয়ে যাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo