1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে ৮ বছর বয়সী গৃহকর্মীর মৃত্যু পুলিশ ইউনিফর্মে বদল: জেলা-ইউনিটে গাঢ় নীল ও খাকি, মহানগরে লাইট অলিভ ধানমন্ডিতে ১০তলা ভবনের বারান্দা থেকে পড়ে ৮ বছরের গৃহকর্মীর মৃত্যু গুজব ও এআই-ভিত্তিক বিভ্রান্তি রোধে সরকার কঠোর হচ্ছে

ব্যাংক লুটপাটের দায়ে ৬ ব্যক্তি ও শিল্পগোষ্ঠীর নাম

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক একটি প্রতিবেদনে বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ২৮টি ব্যাংকের বড় ধরণের ক্ষতির পেছনে ছয় ব্যক্তি ও কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠী দায়ী। প্রতিবেদনে এস আলম, বেক্সিমকো, ওরিয়ন, নাসা গ্রুপের নামসহ সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং সিকদার পরিবারের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঋণের সূত্রে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের ফলে ব্যাংকগুলো বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকিতে পড়েছিল। রাষ্ট্রায়ত্ত অথব অগ্রণী ও জনতা ব্যাংকসহ শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংক, সিআইবিএল (SIBL), ফার্স্ট সিকিউরিটি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক এবং বেসরকারি খাতের ইউসিবি, আইএফআইসি ও ন্যাশনাল ব্যাংকও এই লুটপাটের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, সময়ের চাপ ও বিভিন্ন বাহ্যিক ঝুকির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিছু সংস্থাকে অনৈতিক সুবিধা দিতে বাধ্য হয়েছিল। এরপরও এখন পাচারের অর্থ ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, কিছু ক্ষেত্রে বহিরাগত চাপ ছিল এবং এমনকি রাষ্ট্রের উচ্চ পর্যায় থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংক অগ্রাহ্য করতে পারত না।

বিশ্লেষকরা দাবি করছেন, শুধু টাকা ফেরানোই যথেষ্ট নয়—দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং যারা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভেতরে অনিয়মে জড়িত ছিলেন, তাদেরও আইনের আওতায় আনা জরুরি। নেই হলে দেশের সাধারণ মানুষের ব্যাংকে আস্থা আরো বাড়বে না বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

বিআইবিএমের সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী বলেন, একজন কর্পোরেট দরিদ্র কতটা ঋণ নিতে পারে, কত দিন বা কী শর্তে নিতে পারে—এসবই নীতিমালায় নির্দিষ্ট। যদি বাংলাদেশ ব্যাংক জেনে শুনে এসব সংস্থাকে ছাড়পত্র বা ছাড় দিয়ে থাকে, তাহলে কেন্দ্রীয় ব্যাংককেও দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। এটি তাদের দায়িত্ব ছাড়া আর কেউই করতে পারে না।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক পাচারের অর্থ উদ্ধার ও ফিরিয়ে আনার কাজ জোরদার করেছে। সম্পাদকীয় ও বিশ্লেষকরা বলছে, দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা না হলে দেশের ব্যাংকিং খাতের ওপর জনগণের বিশ্বাস ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo