1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০৫:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
সংখ্যালঘুদের রক্ষায় মন্ত্রিত্ব ছাড়তে রাজি ধর্মমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে পাঁচ দগ্ধ; একজনের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা: পুলিশে চেইন অব কমান্ড ভাঙলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ফারজানা রুপা ও শাকিলের জামিন, কিন্তু মুক্তি স্থগিত অপরাধীর পরিচয় কেবল অপরাধী, রাজনীতির নয়: প্রধানমন্ত্রী এখনই শুরু টিসিবির পণ্য বিক্রি: ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশেষ কার্যক্রম বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ: টানা অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস পদোন্নতি বিবাদে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘাত: উপাচার্যকে ‘অবাঞ্ছিত’, ১১ মে থেকে পূর্ণ শাটডাউন চিফ প্রসিকিউটর: জুলাই‑আগস্ট দমনে শেখ হাসিনা ‘সোজা গুলি’ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন মব কালচার বন্ধে আইন সংশোধন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শুভেন্দু: ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্ত বেড়ার জমি বিএসএফকে হস্তান্তর

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে ভারতের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ)-কে হস্তান্তর করবে—এমন ঘোষণা দিয়েছেন নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেওয়া ছয়টি সিদ্ধান্তের মধ্যে এটিই ছিল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা।

শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্যের জনমিতিক চিত্র বদলে গেছে, তাই সীমান্ত নিরাপত্তা শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি জানান, ভূমি ও রাজস্ব সচিব এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবকে জমি হস্তান্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় জমি ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। তিনি এটাও বলেছিলেন যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিএসএফকে এই হস্তান্তরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে যে অবৈধ অভিবাসন ঠেকানো ছিল বিজেপির নির্বাচনী প্রচারের একটি কেন্দ্রীয় ইস্যু। নির্বাচনী সময় দলটির দাবি ছিল যে তৎকালীন তৃতীয়মূল সরকার সীমান্ত যথেষ্ট কার্যকরভাবে রক্ষা করেনি, ফলে নিকট প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে অনেকে অবৈধভাবে দেশভুক্ত হয়েছেন।

অপর একটি বড় সিদ্ধান্ত ছিল রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যবীমা প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ বাস্তবায়ন করা। শুভেন্দু জানান, প্রধানমন্ত্রী নামযুক্ত সকল কেন্দ্রীয় প্রকল্প রাজ্যজুড়ে কার্যকর করা হবে। এর ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের কয়েক বছরের বিরোধিতির পর এ বিষয়েijakan পরিবর্তন এসেছে।

শুভেন্দু আরও স্পষ্ট করে বলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের গণকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাতিল করবে না। এর মধ্যে রয়েছে বহুল আলোচিত ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ও। মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের জানান, রাজ্যে চলমান উপকারভোগীভিত্তিক সব প্রকল্প অব্যাহত থাকবে।

লক্ষ্মীর ভান্ডার ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার চালিত একটি প্রধান প্রকল্প, যা ২০২১ সালে চালু করা হয়। এই কর্মসূচির মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল নারীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হতো—তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত ২৫–৬০ বছর বয়সী নারীরা মাসে সর্বোচ্চ ১,২০০ টাকা পান, অন্য শ্রেণির নারীরা মাসে ১,০০০ টাকা পান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই প্রকল্পটি মমতা সরকারের ভোটকৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল, বিশেষ করে নারী ভোটারদের মধ্যে।

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট হিসেবে বলা যেতে পারে, গত মাসের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে ২৯৪ আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন পেয়ে রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকার গঠন করেছে। দল নির্বাচনী প্রচারক্রমে ভোটার তালিকা সংশোধন, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং রাজ্যব্যাপী ৯০ লাখ ৮০ হাজার নাম বাদ পড়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন ইস্যুতে তীব্র আক্রমণ করে।

মোটকথা, নবনির্বাচিত সরকার সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে—একই সঙ্গে চলমান সামাজিক সহায়তা প্রকল্পগুলোও বজায় রাখার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo