1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

পদত্যাগ করব না, ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক: অনড় মমতা

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও স্পষ্ট করে বলেছেন, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করবেন না এবং এই সিদ্ধান্তে অটুট থাকবেন। গতকাল বুধবার থেকে শুরু হওয়া নিন্দা ও ক্ষোভের মধ্যেও তিনি বলেছেন, ‘ওরা যদি আমাকে বরখস্ত করে, তাহলে আমি চাই সেই দিনটিকে একটি কালো দিন বলে মনে রাখা হোক।’ এই খবরটি ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

গতকাল দলের বিধায়কদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মমতা জানান, ২৯ এপ্রিল থেকে চলা নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার বিরুদ্ধে তাঁর দল আদালত যাবে। এই সময় তিনি দলের কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি একটি সতর্কবার্তাও দেন—যদি কেউ প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে কথা বলে, তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা কমিটি কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

অন্যদিকে, বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনো নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ঘটছে না। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যা কিছু ঘটনা ঘটছে, তা ২০২১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার তুলনায় অনেক কম। কিছু মানবগোষ্ঠী এখনও সক্রিয় থাকলেও বিজেপি সরকার বলছে, তারা তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেবে।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের দলকে আন্দোলনের ঝাঁকিতে রাখার জন্য প্রস্তুত করছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, বিধানসভা শুরুর দিনটিকে ‘কালো পোশাক দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে। ৭১ বছর বয়সী এই নেত্রী নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণা পর থেকেই তাঁর অবস্থানে অটুট থাকছেন এবং হারের জন্য নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করছেন। তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘নোংরা খেলা’ চালানোর অভিযোগ তুলেছেন এবং মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা ও বিহারের সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজেপিবিরোধী জোটের ব্যর্থতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছেন।

এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নেতারা ভাবছেন, কি ভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত বা তার অবস্থা পরিবর্তন করা যায়। সাধারণ ধারনা অনুযায়ী, রাজ্যপাল বা গভর্নর technically মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত করতে পারেন, কারণ তারা পদে থাকতেই পারেন শুধু বিধানসভা ভেঙে না গেলে। আস্থা ভোটের মাধ্যমে বরখাস্তের বিধান থাকলেও, নতুন নির্বাচনের ফলাফল আসার পর তা কার্যকারিতা হারায়। এছাড়াও, রাষ্ট্রপতির শাসন জারি করা একচেটিয়া পদক্ষেপ, যা রাজ্যপাল চাইতে পারেন।

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার মেয়াদ ৭ মে, আজ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে, এবং এর ফলে পরিস্থিতির সমাধান খুব দ্রুত সম্ভব নয়। ইতিমধ্যেই অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাসহ বেশ কিছু রাজনৈতিক নেতাই মমতার বরখস্ত চেয়ে মন্তব্য করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo