1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

শীর্ষ নেতাকে হারিয়ে কেরালায় ইতিহাস গড়লেন ফাতিমা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

কেরালার নির্বাচনী রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছেন ফাতিমা থাহিলিয়া। ভারতীয় ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল) থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে তিনি দলটির প্রথম নারী বিধায়ী হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন, যা প্রাদেশিক রাজনীতিতে বড় সাড়া ফেলেছে।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কোজিকোড় জেলার পেরাম্বরা আসনে ফাতিমা এলডিএফের সমন্বয়ক ও সিপিআই(এম) প্রার্থী টিপি রামকৃষ্ণনকে পরাজিত করেছেন। ১৯৮০ থেকেই এই আসনটিকে সিপিআইয়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বিবেচনা করা হতো — সেই প্রথা ভেঙে দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে চমক জন্মেছে।

আইনজীবী ও কোজিকোড় পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর ফাতিমা তার এই জয়ের মাধ্যমে কেরালার রাজনৈতিক মানচিত্রে একটি নতুন সমীকরণ গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বাম আধিক্যপূর্ণ এই এলাকায় তার জয়কে অনেকে বড় পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

নির্বাচনকালীন সময়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) অভিযোগ করে যে এলডিএফ তাদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক প্রচারণা চালিয়েছে এবং বিষয়টি তারা নির্বাচন কমিশনের কাছে উত্থাপন করেছিল।

আইইউএমএল মনোনীত ২৭ প্রার্থীর মধ্যে মাত্র দুইজনই নারী হিসেবে নাম পেয়েছিলেন; ফাতিমা তাদের একজন। দলটির ইতিহাসে এর আগে দু’জন নারী প্রার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন কিন্তু কেউ জয়ী হননি — এবার ফাতিমার জয়ে সেই দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান হলো।

ফাতিমার রাজনৈতিক যাত্রা ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়েই শুরু হয়। তিনি মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের (এমএসএফ) নারী সংগঠন ‘হারিতা’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি; ২০১২ সালে গঠিত হারিতা কলেজ ক্যাম্পাসে আইইউএমএলের প্রভাব বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

পরবর্তীতে এমএসএফের কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠে এবং সেই ইস্যু দলের মধ্যে বড় সংকট তৈরি করে। অভিযোগটি লোপাট করার চেষ্টা করলে ফাতিমা সুস্পষ্ট অবস্থান নিয়েছিলেন। সেই কারণে তাকে দলীয় দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং হারিতা সংগঠনও ভেঙে দেওয়া হয়।

বর্তমানে ফাতিমা আইইউএমএলের যুব সংগঠন মুসলিম ইয়ুথ লিগের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, তিনি কেরালায় এক নতুন প্রজন্মকে প্রতিনিধিত্ব করছেন—একজন নেতা যিনি দলীয় কাঠামোর ভেতর থেকেই নারী অধিকার, অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র ও সংস্কারের প্রশ্ন তুলতে অনড়।

তাঁর এই জয়ের ফলে কেরালার রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব ও অভ্যন্তরীণ সংস্কারের দাবি নিয়ে নতুন আলাপ শুরু হবে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা আশা করছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo