1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী উত্তরের চার জেলায় স্বল্পমেয়াদী বন্যার শঙ্কা শিক্ষামন্ত্রী: বিশ্ববিদ্যালয় শুধু সনদ নয়, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার কেন্দ্র হতে হবে

জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় পোশাক খাতের অর্ডার স্থগিত, উদ্বেগ বেড়েছে

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

বৈদেশিক ক্রেতাদের জ্বালানি সংকটের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায় নতুন ক্রয়াদেশ স্থগিত হচ্ছে—এমন চিত্র জানিয়েছে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম (পারভেজ) চৌধুরী।

তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে তিন মাসে জ্বালানি পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে এমন আশঙ্কায় অনেক বিদেশি ক্রেতা বাংলাদেশে অর্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করছেন। এ পরিস্থিতি তৈরি পোশাক খাতসহ দেশের প্রধান রপ্তানি খাতগুলোকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। এসব কথা তিনি বলেন বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত প্রাক-বাজেট আলোচনায়।

বিসিআই সভাপতি আরও বলেন, বিশ্ববাজারের অস্থিরতার সঙ্গে দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা মিলিয়ে ক্রেতাদের উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে আগামী জুলাই ও আগস্ট মাসে অনুমান করা অনেক ক্রয়াদেশ ইতোমধ্যেই ধীরগতির হয়ে এসেছে। অনেক বড় ক্রেতা নেতিবাচক সংকেত দিচ্ছে এবং কিছু অর্ডার ভারতসহ অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ঢাকা-অফিসগুলো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও শীর্ষ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা বাংলাদেশে নতুন অর্ডার দিতে এখন পিছু হটছেন। এর ফলে অর্ডার শূন্যতাও বাড়তে পারে এবং রপ্তানি আয় সংকুচিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্য দিকে, বর্তমান কর কাঠামোও ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে বলে জানান আনোয়ার-উল আলম। লাভ-লোকসান নির্বিশেষে এক শতাংশ হারে ন্যূনতম কর পরিশোধের বাধ্যবাধকতা অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে; বিশেষত ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা এতে বেশি প্রভাবিত হচ্ছেন। মুনাফা না থাকলেও কর দিতে হচ্ছে, যা অনেকের জন্য প্রতিষ্ঠান চালিয়ে যাওয়াকে কঠিন করে তুলছে।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি ছোট উদ্যোক্তাদের জন্য করসংক্রান্ত প্রণালী পুনর্বিন্যাস এবং রপ্তানি আয় থেকে উৎস কর কমানোর দাবি জানান। তবে এনবিআরের চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান প্রস্তাবিত উৎস কর কমানোর অনুরোধটি নাকচ করেছেন বলে জানানো হয়েছে।

আয়কর আইন-২০২৩-এর ১৪৭ ধারা প্রসঙ্গে বিসিআই সভাপতি বলেন, কর যাচাইয়ের নামে কোনও প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার সিস্টেম বা নথিপত্র জব্দ করার অবারিত ক্ষমতা ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। এ ধরণের ব্যবস্থা ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা বাড়ায় এবং বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে বাধা সৃষ্টি করে।

প্রাক-বাজেট আলোচনায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ব্যাংক আমানতের মুনাফার ওপর উৎস কর ২০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ নামানো ও নিট সম্পদের ওপর আরোপিত সারচার্জ ধাপে ধাপে বাতিলের দাবি করেন। শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল না হলে এবং কর কাঠামো সহজীকরণ না হলে দেশের রপ্তানি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও দুর্বল হয়ে পড়বে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo