মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ জয় প্রত্যাশা করছিল, কিন্তু শেষমেশ হতাশায় ফিরে যেতে হয়। ব্যাটিংয়ে সাইফ হাসান, লিটন দাস ও তাওহীদ হৃদয়ের দুর্দান্ত লড়াই থাকা সত্ত্বেও ধারাবাহিকতা না থাকার কারণে টাইগাররা ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে সিরিজে।
প্রথমে ব্যাট করতে নামা নিউজিল্যান্ডের শুরু সামান্য চাপের মধ্যে হলেও হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ংয়ের ৭৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে তারা পরবর্তীতে শক্ত ঘুঁটি সাজাতে সক্ষম হয়। সপ্তম ওভারে শরিফুল ইসলাম প্রথম সাফল্য এনে শরিফুল কেলিকে ফেরত পাঠান।
এরপর রিশাদ হোসেন ইয়ংকে (৩০) ও মেহেদী হাসান মিরাজ টম ল্যাথামকে আউট করলে বাংলাদেশের মনোবল কিছুটা বাড়ে। তবে শেষ দিকে ডিন ফক্সক্রফটের অর্ধশতক ও দলীয় ২৪৭ রান সমাপ্তি টানে তাদের ইনিংসের। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে শরিফুল ও রিশাদ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন, তাসকিন আহমেদও দুটি শিকার করেছেন।
জবাবে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল কাঁটাতার মতো। তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত খুব দ্রুত ফিরে যান।
এরপর সাহসিকতা নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন সাইফ হাসান (৭৬ বলে ৫৭ রান) ও লিটন দাস (৬৮ বলে ৪৬ রান), যারা তৃতীয় উইকেটে ৯৩ রানের প্রতিরোধ গড়েন। সাইফের বিদায়ের পর লিটনও ফেরেন এবং চাপ আরও বাড়ে। এরপর তাওহীদ হৃদয় আফিফ হোসেনের সঙ্গে এগিয়ে যান তবে আফিফ ধীরগতির ২৭ রান করে আউট হন। মিরাজের অসুবিধা চলতে থাকে।
তাহলে হার না মানার সত্যিই প্রতিফলন তেমন দেখা যায়নি। হার মেনে নেওয়া সত্ত্বেও তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের সামনে একটি সম্ভাবনা রয়েছে—ঘুরে দাঁড়ানোর। এবারের কমবয়সী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে অনেক কিছুই শেখার রয়েছে টাইগারদের। সিরিজের পরের খেলায় তাই প্রত্যাশা থাকবে এক প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক লড়াইয়ের।