1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ইরানের যুদ্ধ ৫০ দিন, ক্ষতি ৫০ বিলিয়ন ডলার

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

প্রায় ৫০ দিন ধরে চলা ইরান-আমেরিকা সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহে ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে সর্বমোট মূল্য এখনও পর্যন্ত ৫০ বিলিয়নেরও বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিভিন্ন বিশ্লেষক। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই সংকটের প্রভাব আগামী কয়েক মাস বা এমনকি কয়েক বছর পর্যন্ত থাকতেও পারে। বৈশ্বিক পণ্য ও বাণিজ্যের ওপর এই বিরূপ প্রভাবের বাস্তবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে কেপলার ডাটার লাইভ ডাটা পর্যবেক্ষণে। তারা জানিয়েছে, এই বছর ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে যখন সংকট শুরু হয়, তখন থেকে বৈশ্বিক বাজারে প্রায় ৫০ কোটির বেশি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং কনডেনসেটের সরবরাহ কমে গিয়েছে।

এটি আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার ঘটনা হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই পরিমাণ তেল দিয়ে বিশ্বজুড়ে পাঁচ দিনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালানো সম্ভব ছিল। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় এক মাসের তেলের চাহিদা কিংবা ইউরোপের এক মাসেরও বেশি সময়ের জ্বালানি চাহিদার সমান।

গত মার্চ মাসে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর দৈনিক তেল উৎপাদন প্রায় ৮০ লাখ ব্যারেল কমে যায়। এটি বিশ্বের দুই বড় তেল কোম্পানি এক্সনমোবিলের সম্মিলিত উৎপাদনের কাছাকাছি। এ ছাড়া, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন এবং ওমানে থেকে জেট ফুয়েল রফতানি গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রায় ১৯৭ লাখ ব্যারেল থেকে নেমে মার্চ ও এপ্রিল মিলিয়ে মাত্র ৪১ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে।

তেলের গড় মূল্য প্রতি ব্যারেল ধরে ১০০ ডলার হিসাব করলে, এই ঘাটতির আর্থিক মূল্য প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার বলে জানিয়েছেন ডাটা সংস্থা কেপলার-এর গবেষক জোহানেস রাউবল।

বিশ্লেষকদের মনে হচ্ছে, হরমুজ প্রণালি খোলা হলেও উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে এখনও কিছু সময় লাগবে। বিশেষ করে কুয়েত ও ইরাকের ভারী তেলক্ষেত্র স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে চার থেকে পাঁচ মাসের মতো সময় লাগতে পারে।

এছাড়া, বিভিন্ন শোধনাগারগুলো ও কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সের ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থার কারণে আঞ্চলিক জ্বালানি অবকাঠামো পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করতে কয়েক বছরও লেগে যেতে পারে। এই পরিস্থিতি ভবিষ্যতেও জ্বালানির দামে অস্থিরতা বজায় রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo