1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
বাহরাইনে নিহত প্রবাসীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে, পরিবারের কাছে হস্তান্তর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মবকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে: ডা. জাহেদ ডাকসু নেতার ১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে বিভ্রান্তি বঙ্গবন্ধুর হাতে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী প্রথম ধাপে শুরু হলো ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের ঘোষণা: কীভাবে পাবেন এবং আবেদন করবেন বিস্তারিত তারেক রহমান: ‘জুলাই সনদ’ বিএনপি অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু — কে পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন শিগগিরই মাদক নির্মূলে বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পয়লা বৈশাখে শুরু ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ — কে পাবেন, কী সুবিধা? মাদক নির্মূলের জন্য শিগগিরই বিশেষ অভিযান: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখ—সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অদ্বিতীয় প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

পহেলা বৈশাখকে জাতিসত্তা, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের অনন্য প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল (১২ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আজ প্রকাশিত এক বাণীতে তিনি দেশবাসীসহ সারা বিশ্বের সকল বঙ্গভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বাংলা ১৪৩২ সালকে বিদায় করে নতুন বছর ১৪৩৩ কে স্বাগত জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ শতাব্দী-পর-শতাব্দী ধরে বারবার নতুন উদ্দীপনা ও আশার প্রতীক হয়ে ফিরে আসে। নতুন বছরের আগমন পুরোনো ক্লান্তি, জীর্ণতা ও গ্লানি পেছনে রেখে সামনে এগিয়ে যাওয়ার উৎসাহ জোগায়।

তিনি বলেন, এই উৎসবের সঙ্গে এ অঞ্চলের কৃষি, প্রকৃতি ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে থেকেও প্রকৃতির ছন্দ মেনে কৃষকরা ফসলের শুরুর সময় নির্ধারণ করেন। বাংলার হাজার বছরের লোকজ ঐতিহ্য, কৃষ্টি-কলা ও মূল্যবোধ পহেলা বৈশাখের মাধ্যমে নতুন করে প্রাণ পায়।

বৈশাখী মেলা, শোভাযাত্রা, হালখাতা ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী আয়োজনগুলো আমাদের সংস্কৃতির বহুমাত্রিক সৌন্দর্য উন্মোচিত করে এবং জাতিগত ঐক্যবোধকে জাগ্রত করে। বাংলা নববর্ষ নতুন প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে আসে; প্রকৃতির নবজাগরণ ও মানুষের আশার মিলনে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশকের শাসনের সমাপ্তির পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে রাষ্ট্র ও সমাজের সব স্তরের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে।

তিনি জানান, নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, ক্রীড়া কার্ড, খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিবসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুণীর জন্য আর্থিক সহায়তা চালু করেছে। কৃষক ও কৃষি অর্থনীতি শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন থেকেই কৃষক কার্ড প্রদান কর্মসূচিও শুরু হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে জনগণের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা, উদারতা ও সম্প্রীতির চর্চা দেশের গণতন্ত্রকে আরও মজবুত করবে। বৈশ্বিক সংকটের এই সময়ে শান্তি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের গুরুত্ব তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

তিনি নববর্ষ উপলক্ষে সবাইকে সংকীর্ণতা ও স্বার্থপরতার উর্ধ্বে উঠে মানবকল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান এবং নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে অতীতের হতাশা ভুলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নেয়ার তাগিদ দেন। বাণীর শেষ অংশে তিনি দেশবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo