1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
ওমরাহ করতে যাচ্ছিলো; প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের মা-ছেলে-মেয়ে নিহত সংবাদিকতা নির্ধারণে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কে সাংবাদিক, কে নয় তা নির্ধারণে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ থাকা জরুরি: তথ্যমন্ত্রী দু’এক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতায় সাবেক ছাত্রদল নেতা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজিসহ ১৭ পুলিশ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর সাগর-রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১২৮ বার পেছালো সাতক্ষীরা-৪ এমপি গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে চালকের ওপর হত্যাচেষ্টার মামলা সাগর–রুনি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন জমা ১২৮ বার পেছাল দল থেকে বহিষ্কার হলে এমপি নজরুলের আসন শূন্য হবে: ইসি

ডাকসু নেতার ১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে বিভ্রান্তি

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ পহেলা বৈশাখে এক আলাপচারিতায় বাংলা ১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত বিভ্রান্তিতে পড়ে যান। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, বাংলা বছরের ১২ মাসের নাম কি কি, তখন তিনি ধারাবাহিকভাবে সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারেননি। আবার কখনো এটি হালকা রসিকতায় করেছেন বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

সেখানে তিনি বলেন, “আষাঢ়, জ্যৈষ্ঠ, শ্রাবণ, আশ্বিন, কার্তিক, পৌষ, মাঘ, অগ্রহায়ণ, ভাদ্র… হয়ে গেল? হয়েছে? ফাল্গুন, ১২টা হয়েছে?” এই উত্তর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক হাস্যরসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই ঘটনায় তাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয় নেটিজেনদের মধ্যে, বিশেষ করে একজন দায়িত্বশীল পদের ব্যক্তির Such অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের অভাব বেশ আলোচিত হয়েছে। আসলে, একজন ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে এই মৌলিক বিষয়টিতে তার অজ্ঞতা হতাশাজনক বলে মনে করেছেন অনেকেই।

সহজভাবে বলতে গেলে, বাংলাদেশের দাপ্তরিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় এই মাসগুলোর নাম সাধারণত মনে রাখা হয়। সময়ের বিশেষ প্রয়োজনের জন্য বা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে এই মৌলিক বিষয় সম্পর্কে গভীর শিক্ষা থাকা দরকার। তার এই ভুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় এবং ট্রোলের সব থেকে বড় বিষয় হয়ে উঠে।

আরো গল্পে প্রকাশ, মোসাদ্দেক তখন তোষামোদ বা ‘তৈল’ দেয়ার বিষয়েও নিজের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলা সাহিত্যজ্ঞ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ‘তৈল’ বিষয়ক প্রবন্ধের প্রসঙ্গ তুলে, সমাজের কিছু মানুষ ক্ষমতার তোষামোদা ও চাটুকারিতার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে থাকে। তিনি মনে করেন, এই আত্মপ্রচার ও তোষামোদ এখন সমাজেরই এক অসুস্থ রীতি।

অবশ্যই, এই ঘটনাটি সামজিক মহলে শিক্ষার গুরুত্ব ও দায়িত্ববোধ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে, বিশেষ করে সামনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে বা দায়িত্ব পালন করছে, তাদের জন্য এটি এক গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo