1. [email protected] : Staff Reporter : Staff Reporter
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ খবরঃ
দুদক কমিশনার নিয়োগের জন্য পাঁচ সদস্যের সার্চ কমিটি গঠন কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইটের আঘাতে রাফির মৃত্যু গেজেটে ঘোষণা: এক বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ (২৫ মে–২৫ মে) জিয়াউল আহসানের দেহরক্ষী ইমরুল কায়েসের দাবি: ১৫০–২০০ জনকে হত্যা করতে দেখা ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগ: বহিষ্কৃত শিবির নেতা জিসান ২ দিনের রিমান্ডে বগুড়ায় শিশু রিফাত হত্যা: পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড ধানমন্ডিতে ১০ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মীর মৃত্যু; পাউবো প্রকৌশলী দম্পতি দুই দিনের রিমান্ডে সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান উজানের পাহাড়ি ঢলে ফুলে ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী

ডাকসু নেতার ১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে বিভ্রান্তি

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ পহেলা বৈশাখে এক আলাপচারিতায় বাংলা ১২ মাসের নাম বলতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত বিভ্রান্তিতে পড়ে যান। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, বাংলা বছরের ১২ মাসের নাম কি কি, তখন তিনি ধারাবাহিকভাবে সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারেননি। আবার কখনো এটি হালকা রসিকতায় করেছেন বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

সেখানে তিনি বলেন, “আষাঢ়, জ্যৈষ্ঠ, শ্রাবণ, আশ্বিন, কার্তিক, পৌষ, মাঘ, অগ্রহায়ণ, ভাদ্র… হয়ে গেল? হয়েছে? ফাল্গুন, ১২টা হয়েছে?” এই উত্তর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক হাস্যরসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই ঘটনায় তাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয় নেটিজেনদের মধ্যে, বিশেষ করে একজন দায়িত্বশীল পদের ব্যক্তির Such অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের অভাব বেশ আলোচিত হয়েছে। আসলে, একজন ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবে এই মৌলিক বিষয়টিতে তার অজ্ঞতা হতাশাজনক বলে মনে করেছেন অনেকেই।

সহজভাবে বলতে গেলে, বাংলাদেশের দাপ্তরিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় এই মাসগুলোর নাম সাধারণত মনে রাখা হয়। সময়ের বিশেষ প্রয়োজনের জন্য বা অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে এই মৌলিক বিষয় সম্পর্কে গভীর শিক্ষা থাকা দরকার। তার এই ভুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় এবং ট্রোলের সব থেকে বড় বিষয় হয়ে উঠে।

আরো গল্পে প্রকাশ, মোসাদ্দেক তখন তোষামোদ বা ‘তৈল’ দেয়ার বিষয়েও নিজের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলা সাহিত্যজ্ঞ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ‘তৈল’ বিষয়ক প্রবন্ধের প্রসঙ্গ তুলে, সমাজের কিছু মানুষ ক্ষমতার তোষামোদা ও চাটুকারিতার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে থাকে। তিনি মনে করেন, এই আত্মপ্রচার ও তোষামোদ এখন সমাজেরই এক অসুস্থ রীতি।

অবশ্যই, এই ঘটনাটি সামজিক মহলে শিক্ষার গুরুত্ব ও দায়িত্ববোধ নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে, বিশেষ করে সামনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে বা দায়িত্ব পালন করছে, তাদের জন্য এটি এক গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সকালেরফেনি.কম
Design & Developed BY HostingNibo